VIRAL VIDEO: প্রতিবাদের আড়ালে শাহিনবাগে চলছে আত্মঘাতী হামলাকারী বানানোর কাজ!

  1. বিতর্কিত বয়ান দিয়ে হামেশাই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকা বিজেপির (BJP) সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) আরও একবার শিরোনামে উঠে এলেন। এবার উনি নাগরিকতা সংশোধন আইনের (CAA) বিরুদ্ধে দিল্লীর শাহিনবাগে (Shaheen Bagh) মহিলাদের ধরনাকে আক্রমণ করেন। বৃহস্পতিবার গিরিরাজ সিং একটি ভিডিও ট্যুইট করে এই আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভিডিওর সাথে ট্যুইট করেন, ‘এই শাহিনবাগ এবার শুধুই একটা আন্দোলনে সীমাবদ্ধ না! এখানে এখন সুইসাইড বোম্বার বানানো হচ্ছে।” আপনাদের জানিয়ে দিই যে, এটাই প্রথম না যে গিরিরাজ সিং CAA এর বিরুদ্ধে ধরনা প্রদর্শন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এর আগেও গিরিরাজ সিং আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে আক্রমণ করে বলেছিলেন, পাকিস্তানের মতো দেশ ওয়াইসির মতো নেতাদের জন্যই বানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ট্যুইটারে শেয়ার করা ভিদিওতে শাহিনবাগ আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, রাষ্ট্রীয় রাজধানী দিল্লীতেই দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের আগ গিরিরাজ সিং এর এই বয়ান অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।

আপনাদের জানিয়ে দিই, সম্প্রতি কপিল গুজ্জর নামের এজ যুবক শাহিনবাগে বন্দুক উঁচিয়ে গুলি চালিয়েছিল। আর দিল্লী পুলিশ ওই যুবককে আম আদমি পার্টির কর্মী রুপে চিহ্নিত করে একটি ছবিও পোস্ট করেছিল। সেই ইস্যুতে গিরিরাজ সিং একটি ট্যুইট করে লিখেছিলেন, ‘যারা আগুন লাগাচ্ছে তাঁদের এটুকু জেনে রাখা উচিৎ যে, হাওয়া বদলালে তাঁরাও জ্বলে পুড়ে যাবে।” উনি আম আদমি পার্টির সংস্থাপক অরবিন্দ কেজরীবালের উপর শাহিনবাগের গুলিকাণ্ডের দোষ চাপান।

 

হিন্দুরা সাবধান! নাহলে আবারও ফিরতে পারে মুঘল শাসনঃ বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য

লোকসভায় বাজেট অধিবেশনের সময় রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের চর্চা করার সময় ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) যুব সাংসদ তেজস্বী সূর্য (tejaswi surya) শাহিনবাগে (Shaheen Bagh) চলা ধরনার সমালোচনা করেন। উনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠদের সাবধান থাকার দরকার, নাহলে আবারও ফিরে আসবে মুঘল শাসন।

উনি লোকসভায় বলেন, যদি সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় সতর্ক না হয়, তাহলে মুঘল শাসন আর বেশি দূর নয়। ওনার এই বয়ানের পর বিরোধীরা সংসদে হাঙ্গামা করেন। তেজস্বী সূর্য মোদী সরকারের প্রশংসা করে বলেন, পুরনো ক্ষত ভরাট না করলে নতুন ভারতের নির্মাণের সম্ভব না।

উনি নাগরিকতা সংশোধন আইন নিয়ে বলেন, এই আইনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ আর আফগানিস্তান থেকে ধার্মিক কারণে প্রতারিত হয়ে ভারতে আসা সংখ্যালঘুদের নাগরিকতা দেওয়া হবে।

উনি বলেন, বিরোধীরাও জানে যে, সিএএ নিয়ে কারও কোন ক্ষতি হবেনা, কিন্তু এরপরেও এই আইনের বিরোধিতা করা হচ্ছে। আর এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

দান দেওয়া শুরু হল রাম মন্দির ট্রাস্টে! প্রথম দান এলো মোদী সরকারের তরফ থেকে

অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের জন্য গঠিত ট্রাস্টে দান দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। মোদী সরকার (Modi Sarkar) নবগঠিত ট্রাস্টে মন্দির নির্মাণ শুরু করার জন্য নগদ এক টাকা দান করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের সচিব ডঃ মুর্মু সরকারের তরফ থেকে এই দান করেছে। ট্রাস্ট বিনা কোন শর্তে দান, অনুদান, চাঁদা, সহযোগিতা অচল সম্পত্তি রুপে স্বীকার করবে।

অযোধ্যা বিবাদে হিন্দু পক্ষের আইনজীবী ৯২ বছর বয়সী কে পরাসরনকে মন্দির ট্রাস্টের সদস্য বানানো হয়েছে। পরাসরন ছাড়াও এই ট্রাস্টে একজন শঙ্করাচার্য সমেত পাঁচজন ধর্মগুরু থাকবেন। এরা সাথে সাথে অযোধ্যার প্রাক্তন রাজ পরিবারের রাজা বিমলেন্দ্র প্রতাপ মিশ্রা, অযোধ্যার হোমিওপ্যাথি ডাক্তার অনিল মিশ্রা আর কালেক্টরকে ট্রাস্টের সদস্য বানানো হয়েছে।

৩০ বছর আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গাঁধি সরকারের অনুমতির পর ৯ নভেম্বর ১৯৮৯ এ প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল। শিলন্যাসের জন্য প্রথম ইট বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তৎকালীন সংযুক্ত সচিব কামেশ্বর চৌপাল রেখেছিলেন। চৌপাল বিহারের বাসিন্দা আর তিনি দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার কিছু পরেই উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে মন্ত্রীমণ্ডলের বৈঠক হয়। রাজ্য ক্যাবিনেট মন্ত্রী তথা মুখপাত্র শ্রীকান্ত শর্মা বলেন, অযোধ্যা থেকে ১৮ কিমি দূরে ধানিপুর গ্রামে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে মসজিদ বানানোর জন্য জায়গা দেওয়া হবে।

ওই জমি লখনউ-অযোধ্যা হাইওয়ে থেকে প্রায় ২২ কিমি দূর। সুপ্রিম কোর্টের আদেশে রাম মন্দির – বাবরি মসজিদ বিবাদ মামলায় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে পাঁচ একর জমি মসজিদ বানানোর জন্য দিতে হত। এবার বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে যে, ওই জমিতে কি করা হবে।

দিল্লীর ভোট শেষ হলেই শাহিনবাগকে জালিওয়ানাবাগ বানিয়ে দেবে বিজেপি: আসাদউদ্দিন ওয়াইসি

অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM) এর প্রধান তথা হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি (Asaduddin Owaisi) বুধবার আশঙ্কা জাহির করে বলেন যে, ভোটপর্ব শেষ হলেই বিজেপি (BJP) শাহিনবাগকে (Shaheen bagh) জালিওয়ানাবাগ বানিয়ে দেবে। শাহিনবাগে নাগরিকতা সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে প্রায় দুই মাস ধরে ধরনা প্রদর্শন চলছে।

বুধবার সংসদের অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর ওয়াইসি মিডিয়ার প্রশ্নের উত্তর বলেন, দিল্লীতে ৮ ফেব্রুয়ারি ভোটদান আছে। এরপর বিজেপি শাহিনবাগে গুলি চালাবে। ওঁরা শাহিনবাগকে জালিওয়ানাবাগে বদলে দেবে। বিজেপির এক মন্ত্রী সেখানে গুলি চালানোর স্লোগানও দেওয়া করিয়েছে। এরজন্য সরকারের উচিৎ এই মামলায় জবাব দেওয়া।

ওয়াইসির ইশারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের দিকে ছিল। সম্প্রতি দিল্লীর নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর শাহিন বাগের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া করিয়ে শাহিনবাগকে দিল্লীর রাজনীতির কেন্দ্র বানিয়ে দেন। AIMIM নেতা ওয়াইসি বলেন, সরকারের স্পষ্ট করা উচিৎ যে কে হিংসা ছড়াচ্ছে এবার?

Asaduddin Owaisi

সিএএ এর বিরুদ্ধে শাহিনবাগে চলা দীর্ঘদিন ধরে প্রদর্শনের কারণে দিল্লী-নয়ডা মার্গ বন্ধ। আর সেই কারণে বিজেপির নেতারাও আক্রমনাত্বক রুপ ধারণ করেছে। অনুরাগ ঠাকুর ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, সাংসদ প্রবেশ বর্মা, কপিল মিশ্রা, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই প্রদর্শন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালানো পাক সেনার আসিফ গফুরের অবস্থা সংকটজনক! বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম

ভারতের (India) বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালানো পাকিস্তানি সেনার মেজর জেনারেল আসিফ গফুরের (Asif Ghafoor) একসিডেন্টের খবর সামনে আসছে। আসিফ গফুর তারা স্ত্রীকে নিয়ে বেড়ানো জন্য বেরিয়েছিলেন। সেই সময় উনার আসিডেন্ট ঘটে বলে খবর সামনে আসছে। আসিফ গফুরের গাড়ি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। তবে আসিফ গফুরের স্থিতি কেমন তা নিয়ে এখন পরিপক্ক খবর আসেনি।

দুর্ঘটনা হইত পর থেকে আসিফ গফুরের নিয়ে গুজব ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছে যে আসিফ গফুর মারা গেছেন। তবে সরকারিভাবে তেমন কোনো খবর আসেনি। বলা হচ্ছে গফুর তার বিবির সাথে লাহোর থেকে রাওয়ালপিণ্ডের দিকে যাচ্ছিল।

ওই যাত্রাকালীন পাকিস্তানকে সারদগধায় তাদের দুর্ঘটনা ঘটে। আসিফ গফুরের বর্তমান অবস্থা মোটেও ভালো নেই বলে খবর শোনা যাচ্ছে। আসিফ গফুরকে এখন চিকিৎসার জন্য সৌদি আরবে প্রেরণ করা হয়েছে।

তবে আসিফ গফুরকে বাঁচানো সম্ভব হবে কিনা তাই নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ হচ্ছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, আসিফ গফুর পাকিস্তান সেনার প্রাক্তন প্রবক্তা ছিলেন। সেই সময় উনি মূলত ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর কাজ করতেন।

পাকিস্তানের মিডিয়া দাবি করেছে, আসিফ গফুরের গাড়ি স্পীড লিমিটের মধ্যে ছিল। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন গাড়ি স্পীড লিমিটের বাইরে ছিল এবং দিশাহীনভাবে চালানো হয়েছিল। আসিফ গফুর ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালানোর জন্য কুখ্যাত, যার কারণে অনেক ভারতীয় এখন আসিফ গফুরকে নিয়ে নানা ট্রল করতেও শুরু করেছে। অনেকে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী কয়েক রাউন্ড ফায়ারিং করায় এই ঘটনা ঘটেছে, কেও আবার বলেছেন,পাপের ঘড়া পূর্ন হয়েছে তাই এই অবস্থা।

রাম মন্দিরের পক্ষে আদালতে লড়েছিলেন ‘পরাসরন”, ওনাকে রাম মন্দির ট্রাস্টের সদস্য বানাল মোদী সরকার

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বুধবার অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের জন্য ট্রাস্ট বানানোর ঘোষণা করে দিয়েছে। এরপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, এই ট্রাস্টে ১৫ জন সদস্য থাকবেন, যার মধ্যে একজন দলিত সম্প্রদায়ের মানুষও থাকবেন।

সমাজে সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্যই অমিত শাহ দলিত ব্যাক্তিকে ট্রাস্টে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এই ঘোষণা চার ঘণ্টা পর ট্রাস্টের ১৫ জন সদস্যের নাম সামনে এসেছে।

অযোধ্যা মামলায় হিন্দু পক্ষের প্রধান আইনজীবী ৯২ বছর বয়সী কে. পরাসরন-কে (K. Parasaran) রাম মন্দির ট্রাস্টের সদস্য বানানো হচ্ছে। পরাসরন চাহ্রাও এই ট্রাস্টে এক শঙ্করাচার্য সমেত পাঁচ ধর্মগুরু সদস্য হবেন। এর সাথে সাথে অযোধ্যার প্রাক্তন রাজ পরিবারের রাজা বিমলেন্দ প্রতাপ মিশ্রা, অযোধ্যার হোমিওপ্যাথি ডাক্তার অনিল মিশ্রা আর কালেক্টর-কে ট্রাস্টের সদস্য বানানো হয়েছে।

প্রথমে শোনা যাচ্ছিল যে, চার জন শঙ্করাচার্যকে এই ট্রাস্টে যুক্ত করা হবে, কিন্তু সরকার ট্রাস্টে শুধুমাত্র প্রয়াগরাজ এর জ্যতিশ পীঠাধিশ্বর স্বামী বাসুদেবানন্দ সরস্বতী জি মহারাজকে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও ট্রাস্টে নির্মাহি আখারাকেও জায়গা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আখারার মহন্ত দিনেন্দ্র দাসকে ট্রাস্টের মিটিং আর ভোটিং এর অধিকার দেওয়া হয়নি।

বিজেপি ফেকুদের পার্টি! সিএএ বিরোধী মঞ্চে যোগ দিয়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী (Mamata Banerjee) বুধবার বিজেপিকে (BJP) ‘ফেকুদের পার্টি” বলে কটাক্ষ করেন। এমনকি উনি বিজেপির উপর ধর্মের নামে দেশ ভাগ করার অভিযোগ তোলেন। উনি বলেন, বিজেপি বন্দুক আর গুলি দিয়ে মানুষকে ধমকাচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের (Anurag Thakur) নাম না নিয়েই মমতা ব্যানার্জী বলেন, সাংবিধানিক পদে থেকেও এমন অসাংবিধানিক কথা কেমন ভাবে বলতে পারে মানুষ? আপনাদের জানিয়ে দিই, অনুরাগ ঠাকুর নিজের সমর্থকদের দিয়ে বিতর্কিত স্লোগান দেওয়া করিয়েছিলেন।

তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) ‘গুলির বদলে গুলি” এর বয়ানেরও নিন্দা করেন। উনি বলেন, বিজেপি ফেকুদের দল। তাঁরা শুধু ফেক নিউজেই ভরসা করে। তাঁরা বন্দুক আর গুলি দিয়ে মানুষকে ভয় দেখায়। ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ভাগ করার চেষ্টা করে। উনি বলেন, ‘আমার জন্ম ভারতে হয়েছে, বন্দুক আর গুলি দিয়ে শাসন করা বিজেপির দেশে হয়নি।”  তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো সিএএ, এনপিআর আর এনআরসি জোর করে লাগু করার জন্য কেন্দ্র সরকারের সমালোচনা করেন।

মমতা ব্যানার্জী মহাভারত আর ভারতের ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে মঙ্গলবার বিজেপির উপর কড়া হামলা করেছিলেন। মমতা ব্যানার্জী মঙ্গলবার বিজেপিকে দুঃশাসন এর দল আর মোহম্মদ তুঘলকের বংশধর বলে কটাক্ষ করেছিলেন। মহাভারতে দুর্যোধনের ভাই ছিলেন দুঃশাসন। আর মোহম্মদ বিন তুঘলক ১৩২৫ থেকে ১৩৫১ পর্যন্ত দিল্লীর সুলতান ছিলেন। ওনাকে পাগল রাজা বলেও জানা যায়।

মমতা ব্যানার্জী নদীয়া জেলায় একটি র‍্যালিতে ভাষণ দেওয়ার সময় এনপিআর ইস্যু নিয়ে বলেন, ‘আপনার কাছে কেউ কাগজ চাইলে দেখাবেন না। যদি সে আপনার আর আপনার পরিবারের সম্বন্ধে জানতে চায়, তাঁদের কিছু দেখাবেন না। আমি যতদিন না বলছি, ততদিন আপনি কিছু দেখাবেন না।”

হাতে অত্যাধুনিক বন্দুক নিয়ে গুলি চালালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল সেই ভিডিও

লখনউতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ডিফেন্স এক্সপোতে (Defence expo) গিয়ে আধুনিক হাতিয়ার গুলো পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী সেখানে আধুনিকা হাতিয়ার গুলো দেখেন আর ভার্চুয়াল শুটিং রেঞ্জে ফায়ারিংও করেন। এক্সপোতে উপস্থিত এক্সপার্টরা প্রধানমন্ত্রী মোদীকে হাতিয়ার গুলো সম্বন্ধ্যে অবগত করান। এরপর প্রধানমন্ত্রী মোদী সেখানে থাকা ভার্চুয়াল শুটিং রেঞ্জে গুলি চালান।

উল্লেখ্য, ভার্চুয়াল শুটিং রেঞ্জ বিজ্ঞানের এমনই এক আবিস্কার যেখানে আপনি গুলি অপচয় না করেই নিশানা লাগাতে পারেন, আর নিজের নিশানা লাগানোর ক্ষমতার পরীক্ষা করতে পারেন। সেনার জন্য এই ট্রেনিং খুবই প্রয়োজনীয়।

বিশেষজ্ঞরা জানান, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদী গেছিলেন সেখা ভার্চুয়াল শুটিং রেঞ্জ ছিল। ভার্চুয়াল শুটিং রেঞ্জ নিশানাবাজি অথবা সেনাদের বিনে যুদ্ধে গিয়ে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বোঝানোর সঠিক জায়গা।

সেখানে সেনা নিজেদের যুদ্ধ করার কৌশলের পরীক্ষা করতে পারে। একটি রোমাঞ্চকর পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী সেখানে নিজের হাতে বন্দুক নিয়ে নিশানা লাগান।

৫০ জন খ্রিষ্টানকে পুনরায় সনাতন হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনলো অগ্নিবীর নামক হিন্দু সংগঠন!

কোনো এক আফ্রিকান নেতা বলেছিলেন, ” যখন খ্রিস্টান মিশনারীরা আমাদের দেশে এসেছিল তখন তাদের কাছে ছিল বাইবেল আমাদের কাছে ছিল জমি সম্পত্তি। কিন্তু কিছু বছর পরে আমাদের হাতে হাতে চলে এলো বাইবেল তাদের কাছে চলে গেল জমিজমা সম্পত্তি।” এখন আরো একবার ভারতবর্ষের খ্রিষ্টান মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণ এর ব্যাবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আগেই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রাজনাথ সিং খ্রিস্টান মিশনারিদের এবিষয়ে সাবধান হয়েছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি যেন এখনও কোনো পরিবর্তন হয়নি। ইংরেজরা যখন ভারতবর্ষে এসেছিল তখন থেকেই ভারতীয়দের খ্রিস্টানে ধর্মান্তকরণ এর প্রয়াস চালিয়েছিল। তবে সেই সময় হিন্দু সমাজ ধর্মের প্রতি বেশি নিষ্ঠাবান হওয়ার কারণে ইংরেজরা দ্রুত সফল হতে পারেনি।

তবে সময়ের সাথে থেকে ভারতে ইংরেজদের মেকেলে শিক্ষা বিস্তারের কারণে ভারতের জনগন নিজের সভ্যতাকে সংস্কৃতিকে হারিয়ে পাশ্চাত্য সভ্যতা সংস্কৃতি প্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। যার দরুন ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিরা ব্যাপকহারে ধর্মান্তকরণ এর ব্যাবসা চালায়। এখন উত্তরপ্রদেশ থেকে একটা খবর সামনে আসছে। যেখানে ৫০ জন খ্রিষ্টানকে সনাতন হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

উত্তরপ্ৰদেশে ফতেপুরের ইন্দ্রো গ্রামে অগ্নিপুর (Agniveer) নামক সংগঠন ৫০ জনকে সনাতন হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে এনেছে। এই ৫০ জন হিন্দুকে কিছু বছর আগে হিন্দু থেকে খ্রিস্টানে করা হয়েছিল। সংগঠনটি কয়েক সপ্তাহ ধরে এই অনুষ্ঠান কর্মসূচী চালানোর অপেক্ষায় ছিল। অগ্নিবীর সংগঠন পৈতে সংকল্পের মাধ্যমে তাদের কর্মসূচি শুরু করেছিল। যা দীক্ষা লাভ, শান্তি মন্ত্র ও প্রসাদ বিতরণ দিয়ে শেষ হয়।

জানিয়ে দি, ধর্মান্তকরণ এর জন্য বিশ্বের খ্রিস্টান দেশগুলি মোটা টাকা ফান্ডিং হয় যা খ্রিস্টান মিশনারি ও NGO এর হাত ধরে সঞ্চালিত হয়। আসলে ভারতের ভূমি বিশ্বের সবথেকে উর্বর জমি, এটা মাথায় রেখেই সমস্থকিছু পরিকল্পনা করা হয়। তবে বিগত কিছু দশকে হিন্দু সমাজ কোণঠাসা হয়ে পড়ার পর সামান্য কিছু সংখ্যায় সক্রিয় হতে শুরু করেছে।

নির্ভয়ার দোষীদের হাতে আর মাত্র সাতদিন সময়, একসাথেই দেওয়া হবে ফাঁসি

নির্ভয়া (Nirbhaya) কাণ্ডে দিল্লী হাইকোর্ট কেন্দ্র সরকারের সেই আবেদন নিয়ে আজ শুনানি করলো, যেখানে দোষীদের ফাঁসি আটকানোর নির্ণয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের আবেদনে সিদ্ধান্ত শোনানোর সময় বিচারক সুরেশ কুমার দোষীদের সমস্ত আইনি বিকল্প আগামী সাতদিনের মধ্যে ব্যবহার করার সময় দিয়েছেন।

এর সাথে সাথে আদালত কেন্দ্র সরকারের সেই আবেদনও খারিজ করে দেয়, যেখানে কেন্দ্র সরকার আবেদন করে বলেছিল যে, দোষীদের আলাদা আলাদা করে ফাঁসি দেওয়া হোক। এই আবেদনে রবিবার তিন ঘণ্টার বেশি চলা শুনানির পর বেঞ্চ সিদ্ধান্ত সুরক্ষিত রেখেছিল। সেই সময় আদালতে নির্ভয়ার মা-বাবাও উপস্থিত ছিলেন।

বিচারক বলেন, দোষীদের ফাঁসির সাজা পেতে যেন দেরি না হয়, সেই জন্য নতুন রণনীতি ঠিক করুন। আর এরজন্য সব দোষীকে সাত দিনের মধ্যেই তাঁদের সমস্ত রকম আইনি বিকল্প ব্যবহার করার আদেশ দিচ্ছি। আধিকারিকদেরও আইনের অনুসারে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started