কাশ্মীরে সেনার উপর হামলা জঙ্গিদের! সেনার পালটা হানায় খতম তিন জঙ্গি, শহীদ এক জওয়ান

জম্মু কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) শ্রীনগরের (Srinagar) লোবেপোরা এলাকায় জঙ্গি আর সেনার মধ্যে এনকাউন্টার (Encounter) শুরু হয়েছে। এই এনকাউন্টারে সেনার গুলিতে খতম হয়েছে তিন জঙ্গি। আরেকদিকে, জঙ্গিদের ছোঁড়া গুলিতে শহীদ হয়েছেন সিআরপিএফ এর এক জওয়ান।

সেনা সুত্র অনুযায়ী, শ্রীনগরে নাকা পার্টি তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল। আর সেই সময় এক গাড়িতে লুকিয়ে থাকা তিন জঙ্গি নিজেদের ফেঁসে থাকতে দেখে সেনার উপরে ফায়ারিং শুরু করে দেয়। সেই সময় এই সিআরপিএফ জওয়ান শহীদ হন। পালটা হানায় সেনা তিন জঙ্গিকে খতম করেছে। যদিও এখনো পর্যন্ত অফিসিয়ালি ভাবে এটা জানানো হয়নি।

আরেকদিকে, আজ ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার ছয় মাস পূর্ণ হওয়ায় উপত্যকায় বনধের পরিস্থিতি হয়েছে। আর এর জন্য গোটা এলাকায় সুরক্ষা ব্যাবস্থা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

উপত্যকাকে আরও একবার অশান্ত করার চেষ্টা জায়গায় জায়গায় বিতর্কিত পোস্টার লাগানো হয়েছে। আজকের দিনে গোটা উপত্যকায় দোকান বন্ধ ছিল। ওই পোস্টার গুলোতে লেখা ছিল যে, পাকিস্তান সমেত বিভিন্ন দেশে পাঁচ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের সমর্থনে প্রদর্শন হয়েছে। ওই পোস্টারে হুমকির সুরেই বলা হয়েছে যে, যদি কেউ দোকান খলে তাহলে তাঁকে ভুগতে হবে। যদিও, পুলিশ সমস্ত পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে।

রাম মন্দির ট্রাস্টে থাকবেন ১৫ জন সদস্য, তাঁদের মধ্যে একজন দলিত সম্প্রদায়ের! জানালেন অমিত শাহ

শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টে (Shri Ram Janmabhoomi Tirth Kshetra Trust) ১৫ জন সদস্য হবে, যার মধ্যে একজন দলিত সম্প্রদায়ের হবেন। এই ঘোষণা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) করেছেন। উনি বুধবার ট্যুইট করে বলেন, সামাজিক সৌহার্দ্য মজবুত করার জন্য এরকম অভূতপূর্ব নির্নয়ের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) ধন্যবাদ জানাতে চাই।

অমিত শাহ নিজের ট্যুইটে লেখেন, ‘ভারতের আস্থা আর অটুট শ্রদ্ধার প্রতীক ভগবান শ্রী রামের মন্দিরের প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিবদ্ধতা দেখে আমি ওনাকে কোটি কোটি অভিনন্দন জানাই। আজকের দিনে গোটা ভারতের জন্য এটা অত্যন্ত গৌরব আর খুশির দিন।”

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ‘শ্রী রাম জন্মভূমি নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় আদেশ অনুসারে আজ ভারত সরকার অযোধ্যায় প্রভু শ্রী রামের ভব্য মন্দির নির্মাণের দিশাতে নিজেদের প্রতিবদ্ধতা দেখিয়ে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র নামের ট্রাস্ট বানানোর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

অমিত শাহ এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার লোকসভায় ঘোষণা করেন যে, অযোধ্যা মন্দিদের নির্মাণের জন্য ক্যাবিনেটে প্রস্তাব পাশ হয়েছে। উনি জানান, এই ট্রাস্ট অযোধ্যায় ভগবান শ্রী রামের জন্মস্থলিতে ভব্য আর দিব্য শ্রীরাম মন্দির নির্মাণ আর এর সাথে জড়িত সমস্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ রুপে স্বাধীন হবে। গত বছর সুপ্রিম কোর্ট নয় নভেম্বর রাম মন্দির ইস্যুতে ঐতিহাসিক রায় দিয়ে সরকারকে ট্রাস্ট গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিল।

 

বড় খবরঃ রাম মন্দির ট্রাস্ট বানানোর ঘোষণা করলেন পিএম মোদী, সংসদে উঠলো ‘জয় শ্রী রাম” ধ্বনি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) দিল্লীতে বিধানসভার নির্বাচনের (Delhi Election) ঠিক আগে অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ নিয়ে ট্রাস্ট (Ram Mandir Trust) বানানোর ঘোষণা করে দিলেন। উনি বলেন, ক্যাবিনেটের বৈঠকে একটি স্বায়ত্তশাসিত ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব পাশ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন সংসদে জয় শ্রী রাম এর ধ্বনিও দেওয়া করান। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ট্রাস্টের নাম শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র হবে। গোটা দেশের কাছে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য একক ভাবে সমর্থন দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

উনি বলেন, এই ট্রাস্ট মন্দির নির্মাণের জন্য সবরকম সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ৬৭.০৩ একর ভূমি ট্রাস্টকে দিয়ে দেওয়া হবে আর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাম মন্দিরের নির্মাণ হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, রাম মন্দিরের জন্য বৃহৎ যোজনা বানানো হয়েছে।

ভোটে জেতার জন্য এবার নিজের মেয়েকে পথে নামাল কেজরীবাল!

দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Assembly Election 2020) রাজনৈতিক নেতা আর দলের মধ্যে মৌখিক যুদ্ধ শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের (Arvind Kejriwal) স্ত্রী এর পর এবার ওনার মেয়ে হর্ষিতা কেজরীবালও (Harshita Kejriwal) বাবার হয়ে ময়দানে নামল। সংবাদ সংস্থা এএনআই অনুযায়ী, হর্ষিতা বলেছে যে, মানুষ বলে যে রাজনীতি নোংরা! কিন্তু এখন এই নোংরামির স্তর আরও নীচে যাচ্ছে। হর্ষিতা নিজের বাবাকে সন্ত্রাসবাদী বিচারধারার মানুষ বলার প্রশ্নে বলে, উনি যদি জঙ্গিই হতেন, তাহলে মানুষ কি স্বাস্থ সুবিধা পেত? উনি সন্ত্রাসবাদী হলে বাচ্চারা উচ্চ শিক্ষা পেত? বিদ্যুৎ আর জলের সাপ্লাই উন্নত হয়েছে, এটাও কি সন্ত্রাসবাদ?

হর্ষিতা জানায়, আমার বাবা সবসময় সমাজ সেবার কাজ করে। হর্ষিতা জানায়, আমার মনে আছে আমার বাবা আমার ভাই আর বাকি পরিবারের সদস্যদের সকাল ছয়টায় ঘুম থেকে উঠিয়ে গীতা পাঠ করাত। আর তখন আমরা সবাই মানুষকে মানুষ আর ভাতৃত্ব বোধের গানও গাইতাম। উনি আমাদের মনুষত্ব নিয়ে শিক্ষাও দিতেন। এটাও কি সন্ত্রাসবাদ?

হর্ষিতা বলে, দিল্লীতে বিজেপি ২০০ জন সাংসদ আর ১১ মুখ্যমন্ত্রীকে আনুক, কিন্তু এখানে থাকা দুই কোটি আম আদমি প্রচার করছে। উনি বলেন, ১১ই ফেব্রুয়ারি জানা যাবে দিল্লীর জনতা কাজ না অভিযোগের ভিত্তিতে ভোট দিয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার কেজরীবালের স্ত্রীও নাম না নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন। উনি বলেন, আম আদমি পার্টির উপর বিজেপির অনেক নেতাই অনেক অভিযোগ তুলছে, কিন্তু দিল্লীর জনতা সব দেখছে। উনি বলেন, আম জনতা আমাদের ঝাড়ুতে ভোট দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

দিল্লী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা দিনেই শাহিনবাগ সাফ হয়ে যাবেঃ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর

দিল্লীতে (Delhi) রাজনীতির কেন্দ্র হয়ে উঠেছে শাহিনবাগ (Shaheen Bagh) ধরনা। আর এবার এই ধরনা তুলে দেওয়ার জন্য বিজেপি (BJP) নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur) বড় বয়ান দিলেন। অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, দিল্লী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হলেই দিল্লীর শাহিনবাগ থেকে ধরনা উঠে যাবে।

মঙ্গলবার অনুরাগ ঠাকুর দিল্লীতে একটি জনসভাতে বলেন, দিল্লীর শাহিনবাগে হওয়া ধরনা প্রদর্শন বিরোধীদের ষড়যন্ত্র। অনুরাগ ঠাকুর কেজরীবাল সরকারের উপর আক্রমণ করে বলেন, ‘দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল আর উপ মুখ্যমন্ত্রী মনিষ সিসোদিয়া স্বয়ং শাহিনবাগ ধরনায় সমর্থন করেছেন। আমি আপনাদের বলতে চাই, ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসলেই শাহিনবাগ পরিস্কার হয়ে যাবে।”

এছাড়াও দিল্লী নির্বাচনে শাহিনবাগে বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর বলেন, জনতা যেমন ভাবে পদ্ম ফুলে ইভিএম এর বোতাম টিপবে তেমন ভাবেই ১১ তারিখ ফলাফল সামনে আসলে শাহিনবাগ ফাঁকা হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, এর আগে বিজেপি নেতা দিল্লীতে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন। তখন অনুরাগ ঠাকুর মঞ্চ থেকে বলেছিলেন, দেশের গদ্দারদের … তখন জনতা সুরে সুরে মিলিয়ে বলেছিল গুলি মারো … কো। এরপর নির্বাচন কমিশন এই বিষয়কে গম্ভীর ভাবে নিয়ে অনুরাগ ঠাকুরকে স্টার প্রচারকের তালিকা থেকে বের করে দেয়। আরেকিকে, কেজরীবালকে জঙ্গি আখ্যা দেওয়া বিজেপির সাংসদ প্রবেশ বর্মাকেও নির্বাচন কমিশন স্টার প্রচারকের তালিকা থেকে বের করে দিয়েছে।

শাহীনবাগে খোলাখুলি চলছে দেশদ্রোহী কর্মকান্ড! দেখা মিলছে আসাম বিহীন ভারতবর্ষের মানচিত্র,

CAA ও NRC এর বিরুদ্ধে যে প্রদর্শন শুরু হয়েছিল তা ধীরে ধীরে দেশবিরোধী রূপ নিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকে কট্টরপন্থী আজাদী শ্লোগান তুলে দেশবিরোধী গতিবিধিতেও লিপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশকিছু জন হিন্দুদের থেকে আজাদী, হিন্দুত্ব থেকে আজাদীর মতো শ্লোগানও তুলেছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি,CAA ও NRC এর বিরোধের নামে বহু স্থানে দেশবিরোধী কর্মকান্ড চলছে। শাহীন বাগে ৫০০ টাকার পরিবর্তে মুসলিম মহিলাদের একত্র করে PFI ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। CAA এর বিরোধিতা করতে গিয়ে সারজিল ইমাম যে বিবৃতি দিয়েছিল তা এখন কারোর থেকে লুকিয়ে নেই। JNU ছাত্র সারজিল ইমাম ৫ লক্ষ মুসলিমকে একত্র হওয়ার ডাক দিয়েছিল আসামকে সহ উত্তরপূর্বকে ভারত থেকে আলাদা করার জন্য।

এখন শাহীনবাগ থেকে যে ছবি সামনে আছে তা অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর। আসলে শাহীনবাগে আসাম বিহীন মাপের দেখা মিলছে। শাহীনবাগের যে স্থানে CAA ও NRC নিয়ে প্রদর্শন চলছে, ওই স্থানেই দেখা মিলছে উত্তরপূর্ব ভারত বিহীন ভারতবর্ষে মানচিত্র। এই ছবি প্রথমদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সামনে এসেছিল। কিন্তু সেই সময় অনেকে এটাকে ভুয়ো ছবি বলে দাবি করে। তৎপর সাংবাদিকরা শাহীনবাগে গেলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। শাহীনবাগের যে স্থানে আন্দোলন চলছে সেখানে গান্ধী, ভগত সিং এর ছবির পাশাপশি খণ্ডিত ভারতের ছবির দেখা মেলে।

শাহীনবাগ এলাকায় সারজিল ইমাম নামের কট্টরপন্থী মুসলিমদের ভারত ভাঙার জন্য উস্কানি দিয়েছিল। JNU ছাত্র সারজিল ইমাম বলেছিল, ৫ লক্ষ মুসলিম এক হলেই উত্তরপূর্ব ভারতকে আমরা কেটে আলাদা করে দিতে পারবো। সারজিল ইমামের পরিকল্পনা ছিল শিলিগুড়ি করিডোরে বড়ো সংখ্যায় মুসলিম জড়ো করে ব্লক করে দেওয়া। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় সারজিল ইমামের বক্তব্য ভাইরাল হতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

কিন্তু সারজিল ইমামকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও যে শাহীনবাগে আন্দোলনের নামে দেশবিরোধী কার্যকলাপ চলছে তার আশঙ্কা মিলছে। অনেকে শাহীনবাগকে PFI এর হেডকোয়ার্টার বলেও গণ্য করেছে। কারণ ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র করা, টুকরো টুকরো করার জন্য শাহীনবাগে PFI এর ফান্ডিং রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দিল্লীর নির্বাচনের দিনে দেশদ্রোহীদের ছুটিতে পাঠানো হবেঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) মঙ্গলবার দ্বারকায় একটি জনসভায় দিল্লীর ক্ষমতায় থাকা আম আদমি পার্টির (Aam Aadmi Party) সরকারের উপর হামলা করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, দিল্লীর দোষ দেওয়া সরকার চাইনা, দিল্লীকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সরকার চাই। মোদী দ্বারকায় একটি নির্বাচনী র‍্যালিতে ভাষণ দেওয়ার সময় বলেন সরকার বিগত পাঁচ বছর ধরে কেন্দ্র সরকারের বহু প্রকল্প লাগু করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আম কেজরীবাল (Kejriwal) সরকার।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আয়ুষ্মান ভারত যোজনা লাগু না করার জন্য কেজরীবাল সরকারকে আক্রমণ করেন। উনি বলেন, দিল্লীর বাসিন্দারা শহরের বাইরে অসুস্থ হয়ে পড়লে কি মহল্লা ক্লিনিক কাজ করবে? উনি বলেম দিল্লীর মানুষ দেখছে যে কেজরীবাল সরকার কেমন ঘৃণার রাজনীতি করছে।

উনি বলেন, দিল্লী জনতা বলে যে, দেশ বদলে গেছে এবার দিল্লী বদলানর সময় এসেছে। দিল্লীর এমন সরকারের দরকার নেই যারা শত্রুদের হামলা করার সুযোগ করে দেয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, দিল্লীর এই নির্বাচন এই দশকের প্রথম নির্বাচন। এই দশক ভারতের নামে হতে চলেছে, আর ভারতের প্রগতি আজকের নেওয়া সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। আজ একদিকে এই সিদ্ধান্ত গুলোকে সমর্থন করা মানুষ আছে, আর আরেকদিকে এই সিদ্ধান্ত গুলোর বিরোধী পক্ষ আছে।

ভারতের এমন সরকারের দরকার নেই যেই সরকার জঙ্গি হামলার সময় দেশকে কমজোর করে দেয়। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সময় এরাই প্রমাণ চাইছিল। এদের সাজা দেওয়া উচিৎ কি না? মনে রাগ থাকলে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি ওদের দেখিয়ে দিন যে, দেশের পক্ষে যারা আছে সেই সরকারকেই দরকার দেশের।

শাহিনবাগে গুলি চালিয়েছিল কেজরীবালের দলের লোক! তথ্য প্রকাশ করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ

নাগরিকতা সংশোধন আইনের (CAA) বিরুদ্ধে দিল্লীর শাহিনবাগে (Shaheen Bagh) চলা প্রদর্শনে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিনে গুলি চালানো আততায়ী কপিল গুজ্জরকে (Kapil Gujjar) নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসল। ক্রাইম ব্রাঞ্চ অভিযুক্ত কপিল গুজ্জরের মোবাইল থেকে কিছু ছবি উদ্ধার করেছে। ওই ছবি গুলো দেখে বোঝা যায় যে, কপিল আম আদমি পার্টির (AAP) সমর্থক।

কপিল কিছুদিন আগেই নিজের অনুগামীদের সাথে নিয়ে আম আদমি পার্টি জয়েন করে। শোনা যাচ্ছে যে, কপিল প্রায় এক বছর আগে নিজের বাবা আর তাঁর কিছু সাথিদের নিয়ে কেজরীবালের (Kejriwal) দলে যুক্ত হয়। এর আগে ২০১৭ সালে কপিল উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথ্য বহুজন পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতীর (Mayawati) হয়ে প্রচার করেছিল।

আরেকদিকে, আপে যুক্ত হওয়ার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং এর বয়ান সামনে এসেছে। উনি বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, অমিত শাহ এই সময় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। নির্বাচনের ঠিক আগে এই ছবি সামনে এসেছে। নির্বাচনে আর মাত্র তিন থেকে চারদিন বাকি আছে। বিজেপি এরকম নোংরা রাজনীতি করে দিল্লী জয়ের আশায় আছে। কারোর সাথে একটি ছবি থাকার মানে কি?

এই বিষয়ে ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডিসিপি রাজেশ দেব বলেন, ‘আমরা তাঁর ফোন থেকে অনেক ছবি উদ্ধার করেছি। আরেকদিকে, কপিল নিজেও স্বীকার করে যে সে আর তাঁর বাবা জানুয়ারি – ফেব্রুয়ারি ২০১৯ এ আম আদমি পার্টিতে যোগ দিয়েছিল।”

এখন কেজরিওয়াল হনুমান চল্লিশা পাঠ করছে, অপেক্ষা করুন ওয়েসীও পাঠ করবে: যোগী আদিত্যনাথ

দিল্লীর নির্বাচনের জন্য এখন মাত্র হাতে গোনা ৫ দিন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনো দল পিছিয়ে থাকতে চাই না। বিজেপির প্রায় সব বড় নেতা বিধানসভা নির্বাচনে দলের বিজয় নিশ্চিত করার প্রয়াসে প্রচার চালাচ্ছেন। এর মধ্যে বিজেপি দিল্লীতে নিজেদের সরকার আনার জন্য সমগ্র চেষ্টা লাগিয়ে দিয়েছে। তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হোক, পার্টির সভাপতি জে পি নদ্দা হোক বা উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দিল্লী নির্বাচনে বিজেপি যোগী আদিত্যনাথকে ব্রহ্মাস্ত্র হিসেবে নামিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী দিল্লির মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলিতে প্রচার করছেন, এর মধ্যে জামিয়া নগর এবং শাহীন বাগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যোগী আদিত্যনাথ ভারতীয় জনতা পার্টির তারকা প্রচারকদের মধ্যে গণনা করা হয়। দিল্লির শাহীনবাগে দেশের নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এমন পরিস্থিতি যোগী আদিত্যনাথকে বড়ো অস্ত্র হিসেবে মাঠে নামানো বড়ো মেরুকরণের খেলা হবে।

আজ UP এর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ একটা বড়ো মন্তব্য করেছেন। উনি বলেছেন এখন তো শুধু কেজরিওয়াল হনুমান চল্লিশার পাঠ করছেন। একটু সময়ের অপেক্ষা করুন আসাউদ্দিন ওয়েসীও হনুমান চল্লিশা পাঠ করবেন। কেজরিওয়াল এক টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় নিজেকে কট্টর হনুমান বলে ব্যাক্ত করেছিলেন।

এর আগে দিল্লীর বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রও কেজরিওয়ালের হনুমান চল্লিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। মঙ্গলবার সকাকে কপিল মিশ্রা ট্যুইট করে লেখেন যে, ‘কেজরীবাল হনুমান চাল্লিশা পড়া শুরু করেছে। এবার ওয়াইসিও হনুমান চাল্লিশা পড়বে। এটা আমদের একতার শক্তি। এরকম ভাবেই আমাদের এক থাকতে হবে। এক হয়ে ভোট দিতে হবে।”

করোনাভাইরাস নিয়ে সর্বপ্রথম সতর্কতা জারি করেছিলেন চীনের এই ডাক্তার, এবার পেলেন মৃত্যুর সাজা!

চীন (China) থেকে শুরু হওয়া মারক করোনাভাইরাস (coronavirus) ভারত সমেত বহু দেশে গিয়ে আছড়ে পড়েছে। শুধুমাত্র চীনেই এই ভাইরাসে ৪০০ এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, আর প্রায় ২১ হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। কেরলে এখনো পর্যন্ত তিনজনের মধ্যে এই ভাইরাস পাওয়া গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ সংগঠনও এই ভাইরাস নিয়ে এমার্জেন্সি ঘোষণা করেছে। সব দেশই চীন আসা-যাওয়ার সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে।

তবে এটা এমন না যে, এই মহামারি আচমকা গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, চীনের এক ডাক্তার করোনাভাইরাস নিয়ে সরকারকে অশনি সঙ্কেত দিয়েছিল।  এর আগেই সেই ডাক্তারের আওয়াজ সবার কাছে পৌঁছে যেত, কিন্তু সরকার তাঁর কণ্ঠরোধ করে দেয়। ওই ডাক্তারের নাম হল লি বেনলিয়াং (Li Wenliang)।

লি বেনলিয়াং গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর এই ভাইরাসের কথা সরকারকে জানিয়েছিল। যেই মেডিকেল কলেজে সে পড়ত, সেখানকার অনলাইম অ্যালুমনি চ্যাট গ্রুপ WeChat এ বলেছিল যে, হাসপাতালে স্থানীয় মাছ বাজার থেকে সাতজন রোগী এসেছিল, তাঁদের মধ্যে সার্স এর মতো রোগের লক্ষণ পাওয়া গেছিল। এরপর তাঁদের হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল।

লি জানায়, তদন্তের পর পাওয়া গেছিল যে তাঁরা করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত। এটা ভাইরাসের একটা বড়সড় পরিবার। ২০০৩ সালে এই ভাইরাস প্রচুর মানুষের প্রাণ নিয়েছিল, আর চীনের সাথে এই ভাইরাসের সম্পর্ক অনেক পুরনো। ডাক্তার লি বলেন, ‘আমি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীদের এই ব্যাপারে অ্যালার্ট করতে চাইছিলাম।”

ডাক্তার লি এর ম্যসেজ ভাওরাল হওয়ার কিছু পরেই পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ তোলে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা শুধু ও একাই ছিল না। পুলিশ সমস্ত মেডিকেল আধিকারিকদের নিশানায় নিয়েছিল। সরকারের তরফ থেকে নোটিশ জারি করা হয়েছিল যে, কেউ এই ভাইরাস আর রোগীদের কোন তথ্য লিক করবে না। ডাক্তার লি কেও লিখিত ভাবে এই ব্যাপারে ক্ষমা চাইতে হয়, আর বলতে হয় যে সে এই নিয়ে আর কোন কথা বলবে না।

এরপর ২১ হাজারের পাশাপাশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যায়। সবথেকে বড় ব্যাপার হল, যেই ডাক্তার এই ভাইরাসের কথা সবার আগে জানিয়েছিল, সে নিজেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। উনি নিজেই একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই কথা স্বীকার করে। ১০ জানুয়ারি বুহানের হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা করার সময় হঠাৎই ওনার জ্বর আসে। ১২ জানুয়ারি থেকে সে হাসপাতালে আছে আর বর্তমানে সে আইসিইউতে আছে। সেও যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে সেটা ১লা ফেব্রুয়ারি জানা যায়।

Design a site like this with WordPress.com
Get started