লাল কেল্লা বিক্রি করেছে, এবার তাজমহলও বিক্রি করে দেবে মোদী সরকারঃ রাহুল গান্ধী

দিল্লীর বিধানসভা (Delhi Election) নির্বাচনে কংগ্রেস (Congress) প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী মঙ্গলবার একটি জনসভা করেন। ওই জনসভায় মোদী সরকারের (Modi Sarkar) উপর তীব্র আক্রমণ করেন রাহুল গান্ধী। কেরলের ওয়ানাড এর সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, সবকিছু বিক্রি করে দিচ্ছে। এবার হয়ত তাজমহলও বিক্রি করে দেবে।

দিল্লীর জংপুরায় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী একটি নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী বলেন আজকাল বিজেপির নেতারা দেশভক্তির কথা বলছে। সকাল সন্ধ্যে পাকিস্তান-পাকিস্তান চিলাচ্ছে। আপনারা আমাকে বিজেপির একটি নেতা দেখান, যিনি পাকিস্তান গিয়ে হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়ার দম রাখে।

বিজেপি আর আম আদমি পার্টির উপর আক্রমণ করে রাহুল গান্ধী বলেন, বিজেপি হোক আর আম আদমি পার্টি হোক, এরা কাজ কেউ করেনা, শুধু নিজেদের মার্কেটিং করে। ২৪ ঘণ্টা আপনাদের পয়সা নিয়ে নিজেদের মার্কেটিং আপনাদের সামনে করে। মোদীজি বলেছিলেন, প্রতি বছর দুই কোটি যুবদের চাকরি দেবেন। পেয়েছে কেউ? দিল্লীতে কেজরীবাল সরকার রোজগারের জন্য কি করেছে? নোটবন্দি কংগ্রেস করেছিল? না নরেন্দ্র মোদী? গব্বর সিং ট্যাক্স কে এনেছে?

রাহুল গান্ধী বাজেট ভাষণ নিয়ে কথা বলার সময় বলেন, মন্ত্রী এটা বলার জন্য প্রস্তুত না যে উনি কতজন যুবদের চাকরি দিয়েছে। তিন ঘণ্টার ভাষণে যুবদের কৃষকদের জন্য কিছুই ছিলোনা! শুধু গলাবাজি ছিল। দেড় লক্ষ কোটি টাকার কর্পোরেট ট্যাক্স মাফ। সাড়ে তিন লক্ষ কোটি শুধুমাত্র ১৫ জনকেই মাফ করা হয়েছে। কৃষকদের টাকা, যুবকদের টাকা, আপনার টাকা নোটবন্দি করে ১৫ জনের হাতে তুলে দিয়েছে। আপনারা সেই নাম গুলো জানেন।

CAA-NRC এর আতঙ্কে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের! গলায় গামছা দিয়ে বললেন মমতা ব্যানার্জী

রাজ্যের (West bengal) মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী (Mamata Banerjee) সংশোধিত নাগরিকতা আইনের (CAA) বিরোধিতা করা মানুষদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেওয়ার জন্য বিজেপির (BJP) নেতার বয়ানের তীব্র বিরোধিতা করেন। উনি দিল্লীর শাহিনবাগ (Shaheen Bagh) আর জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া (Jamia Millia Islamia) এর বাইরে হওয়া বন্দুকবাজিকে শান্তিপূর্ণ প্রদর্শনকারীদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেন।

মমতা ব্যানার্জী বলেন, প্রস্তাবিত রাষ্ট্রব্যাপী এনআরসি এর আতঙ্কে পশ্চিমবঙ্গে এখনো পর্যন্ত ৩০ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে। উনি বলেন, এনপিআর, এনআরসি আর সিএএ কালো জাদুর মতো। উনি বলেন, আমার কাছে আমার মায়ের জন্মের প্রমাণ পত্র নেই, তাহলে কি বিজেপি এখন আমাকে দেশ থেকে বাইরে বের করে দেব? উনি বলেন, তৃণমূল দল বিজেপির মতো দুঃশাসন চালায় না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর আক্রমণ করে মমতা ব্যানার্জী বলেন, নির্বাচনের সময় নিজেকে চৌকিদার বলা প্রধানমন্ত্রীর বিপরীতে উনি নিজে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমস্যার কথা শোনেন আর তাঁদের খেয়াল রাখেন। মমতা ব্যানার্জী উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় বলেন, আমি তাঁদের সাথে কোন সম্পর্ক রাখিনা, যারা মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ায়।

উনি বলেন, বিজেপির নেতাদের উস্কানির জন্য শাহিনবাগ আর জামিয়া মিলিয়ার বাইরে গুলি চলেছে। মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর কাজ করা হচ্ছে। শাহিনবাগে প্রদর্শন করা মানুষদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল নাগরিকতা সংশোধন আইনের ইস্যুতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ইসলামিক আতঙ্কবাদ বলে কিছু নেই, আসল ভয়ের কারণ হলো হিন্দ আতঙ্কবাদ: শাহেলা রশিদ

CAA ও NRC এর বিরুদ্ধে যে প্রদর্শন শুরু হয়েছিল তা ধীরে ধীরে দেশবিরোধী রূপ নিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকে কট্টরপন্থী আজাদী শ্লোগান তুলে দেশবিরোধী গতিবিধিতেও লিপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশকিছু জন হিন্দুদের থেকে আজাদী, হিন্দুত্ব থেকে আজাদীর মতো শ্লোগানও তুলেছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি,CAA ও NRC এর বিরোধের নামে বহু স্থানে দেশবিরোধী কর্মকান্ড চলছে। শাহীন বাগে ৫০০ টাকার পরিবর্তে মুসলিম মহিলাদের একত্র করে PFI ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। CAA এর বিরোধিতা করতে গিয়ে সারজিল ইমাম যে বিবৃতি দিয়েছিল তা এখন কারোর থেকে লুকিয়ে নেই। JNU ছাত্র সারজিল ইমাম ৫ লক্ষ মুসলিমকে একত্র হওয়ার ডাক দিয়েছিল আসামকে সহ উত্তরপূর্বকে ভারত থেকে আলাদা করার জন্য।

আর এখন শাহেলা রশিদ আতঙ্কবাদের সংজ্ঞা পেশ করতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। শাহেলা রশিদ বলেছেন ইসলামিক আতঙ্কবাদ বলে কিছু হয় না। হিন্দু আতঙ্কবাদ টাই আসল। জেএনইউ এর পূর্ব ছাত্রনেত্রী বলেছেন ইসলামিক আতঙ্কবাদ নিয়ে ভারতের কোনো চিন্তা নেই, মূল চিন্তার বিষয় হলো হিন্দুত্ব আতঙ্কবাদ। শাহেলা রশিদের দাবি, ভারতের জন্য অত্যন্ত ভয়ানক হলো হিন্দু আতঙ্কবাদ এবং এটার সাথে সরকারও জড়িত রয়েছে। শাহেলা রশিদ JNU এর পূর্ব ছাত্রনেত্রী যিনি আগে বহুবার ভুয়ো খবর ছড়ানোর জন্য শিরোনামে এসেছিলেন।

এর আগে শাহেলা রশিদ কাশ্মীর ইস্যুতে মিথ্যা খবর ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। আর এখন উনি আরো একবার হিন্দু সমাজের উপর আক্রমন করে নতুন বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, আর মাত্র ৫ দিনের মাথায় দিল্লির নির্বাচন পক্রিয়া শুরু। যার মধ্যে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য সামনে আসছে। অন্যদিকে দিল্লীর শাহীনবাগ এলাকায় CAA ও NRC বিরোধী প্রদর্শন চলছে। যার জেরে এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সাহীনবাগে RAF মোতায়েন করেছে। কট্টরপন্থীরা যাতে কোনোভাবেই উপদ্রব না করতে পারে তার জন্যেই RAF মোতায়েন করা হয়েছে।

হিন্দুদের একতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি-কেও হনুমান চাল্লিশা পড়িয়ে ছাড়বেঃ দিল্লীর বিজেপি নেতা

দিল্লীতে নির্বাচনের (Delhi Election) তারিখ এগিয়ে আসছে, আর নেতা নেত্রীদের বয়ান আরও কড়া হচ্ছে। বিগত কিছু দিল্লীর রাজনীতি একের পর এক বিতর্কিত এবং কড়া বয়ানের সাক্ষী হয়ে রয়েছে। এবার আরও একবার দিল্লী থেকে বিজেপির প্রার্থী কপিল মিশ্রার (Kapil Mishra) একটি আপত্তিজনক বয়ান সামনে এসেছে। বিজেপির (BJP) এই নেতা ট্যুইট করে দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল (Arvind Kejriwal) আর অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল (AIMIM) এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে (Asaduddin Owaisi) আক্রমণ করেন।

মঙ্গলবার সকাকে কপিল মিশ্রা ট্যুইট করে লেখেন যে, ‘কেজরীবাল হনুমান চাল্লিশা পড়া শুরু করেছে। এবার ওয়াইসিও হনুমান চাল্লিশা পড়বে। এটা আমদের একতার শক্তি। এরকম ভাবেই আমাদের এক থাকতে হবে। এক হয়ে ভোট দিতে হবে।”

পাশাপাশি উনি আরও লেখেন, ‘সবার একতা ২০ শতাংশের ঘৃণ্য রাজনীতির কবর খুঁড়বে।” এর আগেও সোমবার কপিল মিশ্রা ট্যুইট করে অরবিন্দ কেজরীবালকে আক্রমণ করেছিলেন।

সোমবার কপিল মিশ্রা ট্যুইট করে পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করে লেখেন, আম আদমি পার্টি নিজের নাম বদলে মুসলিম লিগ রাখুক। কারণ উমর খালিদ, আফজল গুরু, বুরহান ওয়ানির মতো জঙ্গিদের নিজের বাবা বলে মানা লোক গুলো এখন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে দেখে ভয় পাচ্ছে।

ভারতের একমাত্র গ্রাম যেখানে আজও কথাবার্তা চলে সংস্কৃত ভাষায়! ছাত্ররা করে বেদের অধ্যয়ন

রামায়ণ, মহাভারতের সময়কাল থেকে ভারতে (India) সংস্কৃত (Sanskrit) ভাষার প্রচলন সম্পর্কে শোনা যায়। বর্তমানে ভারতে যত ভাষার প্রচলন রয়েছে প্রত্যেকটি সংস্কৃত ভাষা থেকেই এসেছে। এই কারণেই সংস্কৃতি ভাষাকে অনেকে সমস্থ ভাষার জননী বলে থাকে। সংস্কৃত ভাষার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভাষাটির প্রাচীন হওয়ার সাথে সাথে বেশ প্রভাবশালী।

বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী, একজন নিয়মিত সংস্কৃতি পড়ুয়ার মস্তিষ্কের শক্তি অন্য যেকোনো ভাষী পড়ুয়ার থেকে অবশ্যই বেশি হবে। তবে বিড়ম্বনা এই যে, ভারতে এখন সংস্কৃতি ভাষার ব্যাবহার শুধুমাত্র ভারতের পূঁজা অর্চনা, বিয়ে ইত্যাদি কিছু আনুষ্ঠানিক কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েগেছে।

তবে জানলে অবাক হবেন, ভারতে এখনও একটা গ্রাম রয়েছে যেখনের মানুষজন সংস্কৃত ভাষায় কথা বলেন। একে ওপরের সাথে সামান্য কথা বার্তার জন্যেও তারা সংস্কৃতি ভাষার ব্যাবহার করেন। কর্ণাটকের শিমোগা জেলার মাত্তুর (Mattur) গ্রাম সেই বিরল স্থান যেখানের মানুষজন আজও সংস্কৃত ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করেন।

তুঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই গ্রামের বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই সংস্কৃত ভাষায় কথা বলেন। গ্রামটি কোনো ছোট গ্রাম নয়। মাতুর গ্রামে ৫ হাজার মানুষ বাস করেন। গ্রামটির বিকাশ ভারতের অন্যান্য গ্রামের মতোই হয়েছে। ভারতের বাকি গ্রামের মতো সরকার এখানেও সমস্থ সুবিধা উপলদ্ধ করিয়েছে। এই গ্রামের বাচ্চারা ১০ বছর বয়স থেকে বেদ পাঠ শুরু করে দেয়।

গ্রামে কথম অস্তি (কখন এসেছেন), অহম গচ্ছামি (আমি যাচ্ছি) ইত্যাদি সংস্কৃত শব্দ সব সময় শোনা যায়। আজকের আধুনিক সময়ে দেশের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য মাতুর গ্রাম এক দুর্দান্ত উদাহরণ। এমন নয় যে, গ্রামটির দেশ ও বিশ্বের পরিবেশের সাথে তালমেল রাখে না। এই গ্রামের ঘরে ঘরে মেধাবী, প্রতিভাশালী ব্যক্তিত্ব ও পেশাদার লোকজনের খোঁজ মেলে।

১০৮১ সাল থেকে সংস্কৃত ভারতী নামের এক সংস্থা মাত্তুর গ্রামে সফর করেছিল। সেই সময় তারা এই গ্রামে ১০ দিনের অনুষ্ঠান কর্মসূচি করেছিল। গ্রামের মানুষজন সংস্কৃতি ভাষার উপর আগ্রহ দেখিয়ে যে কাজ শুরু করেছিলেন তার ফলাফল হিসাবেই আজ মাতুর গ্রামে সংস্কৃতি ভাষা ফুলে ফেঁপে বিকশিত হচ্ছে।

ওয়েসীর মতো কট্টরপন্থীদের জন্য পাকিস্তান আছে, আমাদের শান্তিতে থাকতে দাও: গিরিরাজ সিং, বিজেপি নেতা

জিন্নার নেতৃত্বে কট্টরপন্থীরা ধর্মের নামে দেশভাগ করেছিল। তবে জিন্নার আত্মা যেন এখনও বেঁচে রয়েছে। CAA ও NRC নিয়ে দেশে চর্চা বন্ধ হওয়ার নাম নিচ্ছে না। CAA এর বিরোধের নামে দেশে সারজিল ইমামের মতো কট্টরপন্থীর জন্ম হচ্ছে। বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং সোমবার আসাউদ্দিন ওয়েসীকে এই ইস্যুতে আক্রমন করেন। গিরিরাজ সিং (Giriraj singh) বলেছেন যে ওয়েসির মতো মৌলবাদীরা জামিয়া মিলিয়া এবং AMU এর মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশের বিরুদ্ধে বিষ মিশিয়ে দেশদ্রোহী সেনা তৈরি করছে।

গিরিরাজ সিং বলেছেন ‘ওয়েসীর মতো কট্টরপন্থীরা দেশের ইউনিভার্সিটিগুলিতে বিষ মিশিয়ে দেশদ্রোহী শক্তিকে বৃদ্বি করছে। ওয়েসীর এই সংবিধান বিরোধী কাজ বন্ধ করতে হবে। ভারতের মানুষ জেগে উঠেছে, দেশ ভাঙার চেষ্টা করো না। তোমাদের মতো লোকেদের জন্য পাকিস্তান তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।’

বেগুসরাই থেকে সাংসদ গিরিরাজ সিং টুইটের মাধ্যমে এই কথা বলেছেন। বেগুসরাই থেকে উনি বিজেপির হয়ে লোকসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন। সেই সময় কানাইয়া কুমার উনার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে কানাইয়া কুমার উনার ধরে কাছে আসতে পারেনি। গিরিরাজ সিং তার হিন্দুত্ববাদী ও রাষ্ট্বাদী বক্তব্য এর জন্য শিরোনামে থাকেন।

গিরিরাজ সিং টুইট করে একটা ভিডিও আপলোড করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে AIMIM এর নেতা ও হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়েসী বক্তব্য রাখছেন। আসাউদ্দিন ওয়েসী অভিযোগ তুলেছেন যে সরকার CAA এর বিরোধকারীদের উপর লাঠিচার্জ করছে মারধর করছে। শাহীনবাগে এক বাচ্চা মারা গেছে তার দোষারোপও কেন্দ্র সরকারের উপর চাপিয়ে দেন আসাউদ্দিন ওয়েসী। তার পাল্টা পতিক্রিয়া জানিয়ে গিরিরাজ সিং টুইট করেছেন।

শাহীনবাগে মোয়াতেন করা হলো RAF, যে কোনো সময় শুরু হতে পারে বেধড়ক ওষুধ দেওয়ার পক্রিয়া

CAA ও NRC এর বিরোধের নামে দেশের নানা জায়গায় উৎপাত শুরু হয়েছে। অনেকে কট্টরপন্থী আজাদী শ্লোগান তুলে দেশবিরোধী গতিবিধিতেও লিপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশকিছু জন হিন্দুদের থেকে আজাদী, হিন্দুত্ব থেকে আজাদীর মতো শ্লোগানও তুলেছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি,CAA ও NRC এর বিরোধের নামে বহু স্থানে দেশবিরোধী কর্মকান্ড চলছে। শাহীন বাগে ৫০০ টাকার পরিবর্তে মুসলিম মহিলাদের একত্র করে PFI ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। CAA এর বিরোধিতা করতে গিয়ে সারজিল ইমাম যে বিবৃতি দিয়েছিল তা এখন কারোর থেকে লুকিয়ে নেই।

JNU ছাত্র সারজিল ইমাম ৫ লক্ষ মুসলিমকে একত্র হওয়ার ডাক দিয়েছিল আসামকে সহ উত্তরপূর্বকে ভারত থেকে আলাদা করার জন্য। শিলিগুড়ি করিডোরকে ব্লক করে ভারতকে ভাঙার পুরো ষড়যন্ত্র করেছিল সারজিল ইমাম। আর মাত্র ৫ দিনের মাথায় দিল্লির নির্বাচন পক্রিয়া শুরু।

কিন্তু এখনও দিল্লীর শাহীনবাগ এলাকায় CAA ও NRC বিরোধী প্রদর্শন চলছে। যার জেরে এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সাহীনবাগে RAF মোতায়েন করেছে। কট্টরপন্থীরা যাতে কোনোভাবেই উপদ্রব না করতে পারে তার জন্যেই RAF মোতায়েন করা হয়েছে।

তবে সরকার শাহীনবাগ এলাকা ফাঁকা করার চিন্তাভাবনা করেছে কিনা তা নিয়ে কোন খবর জানা যায়নি। অবশ্য অনেকেই দাবি করেছে যে, বেশি উপদ্রব হলে এখানেও UP এর যোগী প্রশাসনের মতো চাবুক চলতে দেরি লাগবে না। অর্থাৎ যদি দাঙ্গাজনক পরিস্থিতি উৎপন্ন করার চেষ্টা হয় তবেই RAF একশন নেবে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, দিল্লী পুলিশও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হাতে রয়েছে। তাই দিল্লীর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি কেন্দ্রের হাতে

উন্মোচন হলো স্বামী বিবেকানন্দের সবথেকে উঁচু মূর্তি! এক দৃষ্টিতেই নজর কাড়বে সবার

ভারতকে বিশ্বগুরু করার স্বপ্ন দেখানো স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) প্রতি দেশের জনগণের শ্রদ্ধা ও ভক্তি যেন বেড়েই চলেছে। যত সময় যাচ্ছে স্বামী বিবেকানন্দকে দেশের যুব সমাজ নতুন করে চিনতে আরম্ভ করছে। আসলে শনিবার দিন কর্ণাটকের উদপি জেলায় স্বামী বিবেকানন্দের সবথেকে উঁচু মূর্তির উন্মোচন করা হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিটি ৩৫ ফুট উঁচু যা এখনও অবধি উনার সবথেকে উঁচু মূর্তি। কন্যাকুমারিতে স্বামী বিবেকানন্দের যে আকর্ষণীয় মূর্তি রয়েছে তার থেকেও এই মূর্তিটি উঁচু বলে জানা যাচ্ছে। ডিভাইন পার্কে যোগা হাসপাতালের নিকট এই মূর্তি নির্মাণ হয়েছে। মূর্তিটি টুরিসমকে প্রমোট করবে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।

বিশ্ব যখন সনাতন ধর্মের মহিমা ভুলে যাচ্ছিল তখন স্বামী বিবেকানন্দ আমেরিকার শিকাগো শহরের বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে সকলকে হিন্দু সংস্কৃতির শক্তি দেখিয়েছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ পুরো বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন সকল ধর্মের জননী হলো সনাতন হিন্দু ধর্ম। শুধু এই নয়, স্বাধীনতাকে দরজায় এসে দাঁড় করিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করা বাঘা যতীন থেকে শুরু করে নেতাজি সকল বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী স্বামী বিবেকানন্দ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নিজের আদর্শ হিসেবে স্বামী বিবেকানন্দকে বসিয়ে ছিলেন। আর এখন বর্তমান সময়েও দেশের যুবকরা আরো একবার স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি যেভাবে নিজেদের আগ্রহ বৃদ্বি করছে তাতে দেশের একটা বড়ো পরিবর্তন আসার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

কর্ণাটকের ডিভাইন পার্কে স্বামী বিবেকানন্দের এই মূর্তিতে এক দৃষ্টিতে যে সকলের নজর কাড়বে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। মূর্তির স্থান, গঠন থেকে শুরু করে সৌন্দর্য্য সবকিছুই বেশ আকর্ষণীয়। ডিভাইন পার্কের প্রধান ডাঃ চন্দ্রশেখর উদূপা বলেছেন মূর্তিটি আত্মার সম্ভাব্য ঐশ্বরত্ব’ ধারণার প্রতিনিধিত্ব করে এবং ধর্মতত্ত্বের একটি নতুন ধারণা দেয়।

দেশভাগের সময় পাকিস্তান না গিয়ে মুসলিমরা ভারতের কোনো উপকার করেনি: যোগী আদিত্যনাথ

দিল্লীর নির্বাচনের জন্য এখন মাত্র হাতে গোনা ৫ দিন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনো দল পিছিয়ে থাকতে চাই না। বিজেপির প্রায় সব বড় নেতা বিধানসভা নির্বাচনে দলের বিজয় নিশ্চিত করার প্রয়াসে প্রচার চালাচ্ছেন। এর মধ্যে বিজেপি দিল্লীতে নিজেদের সরকার আনার জন্য সমগ্র চেষ্টা লাগিয়ে দিয়েছে। তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হোক, পার্টির সভাপতি জে পি নদ্দা হোক বা উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Aditya nath)। দিল্লী নির্বাচনে বিজেপি যোগী আদিত্যনাথকে ব্রহ্মাস্ত্র হিসেবে নামিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী দিল্লির মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলিতে প্রচার করছেন, এর মধ্যে জামিয়া নগর এবং শাহীন বাগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যোগী আদিত্যনাথ ভারতীয় জনতা পার্টির তারকা প্রচারকদের মধ্যে গণনা করা হয়। দিল্লির শাহীনবাগে দেশের নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এমন পরিস্থিতি যোগী আদিত্যনাথকে বড়ো অস্ত্র হিসেবে মাঠে নামানো বড়ো মেরুকরণের খেলা হবে।

এর মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এক ইন্টারভিউতে বড়ো মন্তব্য করেছেন। যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন যে মুসলিমরা দেশভাগের সময় পাকিস্তান যায়নি তারা ভারতে থেকে কোনো দয়ার কাজ করেনি। NRC ও CAA বিরোধী প্রদর্শন নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ একথা বলেছেন।

আসলে এক সাংবাদিক বলেছিলেন যে যারা শাহীনবাগে আন্দোলন করছে তারা সেই সব পরিবারের লোকজন যারা দেশভাগের সময় পাকিস্তান যাননি। এর উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন,’ পাকিস্তান না গিয়ে তারা ভারতের কোনো উপকার করেনি।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য পরবর্তী সময়ে আরো বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ CAA নিয়ে সেকুলার গ্যাং ও বুদ্ধিজীবী বর্গ ব্যাপক সক্রিয় রয়েছে। এখন এ প্রসঙ্গে তাদের কি পতিক্রিয়া আসে সেটাই দেখার।

আরও কড়া হল যোগী সরকার! চারদিনে গ্রেফতার PFI এর ১০৮ দাঙ্গাকারি

নাগরিকতা আইনের বিরুদ্ধে হওয়ার হিংসা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। উত্তর প্রদেশের মুখ্য সচিব অবনীশ অবস্থি আর ডিজিপি হিতেশ চন্দ্র অবস্থি প্রেস কনফারেন্স করে জানান যে, PFI রাজ্যে দাঙ্গার উস্কানি দিয়েছে। গত চারদিনে PFI এর ১০৮ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওনারা জানান, চারদিনে বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। প্রথমে PFI এর ২৫ পদাধিকার আর সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার ১০৮ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১০৮ জনের মধ্যে লহ্নউ থেকে ১৪, সীতাপুর থেকে ৩, মেরঠ থেকে ২১, গাজিয়াবাদ থেকে ৯, মুজফরনগর থেকে ৬, শামলি থেকে সাত, বিজনৌর থেকে ৪, বারাণসী থেকে ২০, কানপুর থেকে ৫, গোন্ডা থেকে ১, বাহারাইচ থেকে ১৬, হাপুর আর জৈনপুর থেকে এক জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নাগরিকতা আইনের বিরুদ্ধে উত্তর প্রদেশে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে উত্তর প্রদেশ পুলিশ PFI এর আট সদস্যকে প্রথমেই গ্রেফতা করেছিল। ওই আটজনের মধ্যে কানপুর থেকে পাঁচ আর লখনউ থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। অভিযুক্তরা হিংসা ছড়ানোর জন্য একমাস ধরে ফান্ড জোগাড় করেছিল। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের গঙ্গা যাত্রায় বিক্ষোভ দেখানোর জন্যও লোক জোগাড় করা হচ্ছিল। কিন্তু তাঁর আগেই তাঁদের বেগমপুরবায় বৈঠক করার সময় গ্রেফতার করা হয়।

কানপুরের ইনস্পেকটর রাজীব সিং বলেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যাক্তিদের নাম হল মোহম্মদ উমর, সৈয়দ আবদুল হাশমি, ফৈজান মুমতাজ, মোহম্মদ বাসিফ আর সরবর আলম। অভিযুক্তরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, বাবুপুরবা এলাকায় হওয়া হিংসায় তাঁদের হাত ছিল। আর তাঁদের নেতৃত্বে ছিল ওয়াসিম, যাকে কিছুদিন পর লখনউ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started