পাকিস্তানে লাগু হলো জাতীয় জরুরী অবস্থা! পঙ্গপালের আক্রমণে হতে পারে ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষ

একদিকে যখন ভারতের ধীরে ধীরে উত্থান শুরু হয়েছে, তখন অন্যদিকে পাকিস্তানের (Pakistan) পতন তীব্র হতে শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের আর্থিক ব্যাবস্থা সম্পূর্ণরূপে ধসে গেছে। যদি পাক সরকার সেটা ধামাচাপা দেওয়ার ভরপুর প্রয়াস চালাচ্ছে। ভারতের সাথে সম্পর্ক খারাপ থাকার কারণে পাকিস্তানে সবজির মূল্যও আকাশ ছুঁয়ে গেছে। এর মধ্যে আরো একটা খবর পাকিস্তান থেকে সামনে আসছে। আসলে পাকিস্তানের সামনে এখন বড়ো সমস্যা পঙ্গপাল। প্রায় লক্ষ লক্ষ পঙ্গপাল পোকা (locust swarms) পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধুপ্রদেশে জমা হয়েছে। সিন্ধুপ্রদেশে শস্য ক্ষেত্র নিমেষের মধ্যে নষ্ট করছে এই পঙ্গপালের বিশেষ দল। পঙ্গপালকে নিয়ে সমস্যা পাকিস্তানে আগেও ছিল তবে এত বড়ো সংখ্যায় পঙ্গপাল আক্রমন পাকিস্তানে কখনো হয়নি।

এমনিতেই পাকিস্তান খাদ্য সংকট ও আর্থিক দুর্বলতায় ভুগছে। এর মধ্যে পঙ্গপালের আক্রমন কাটা ঘাঁয়ে নুন দেওয়ার মতো কাজ করছে। দূর থেকে বিষয়টি গম্ভীর মনে না হলেও পঙ্গপালের আক্রমণে পাকিস্তানের সরকার পর্যন্ত ভয়ভীতি হয়ে পড়েছে। ইমরান খানের সরকার পাকিস্তানে এমারর্জেন্সি (national emergency)পর্যন্ত লাগু করে দিয়েছে। পাকিস্তান ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষ মহামারী হওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।

পঙ্গপালের আক্রমন হতে পারে এর আভাস আগেই ছিল পাকিস্তানের কাছে। পাকিস্তানের কৃষকরা এর জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কিন্তু টাকার অভাবে পাকিস্তানের সরকার আগে থেকে পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হয়নি। তাই এখন পাক সরকার জাতীয় জরুরী অবস্থা লাগু করেছে। পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডনের খবর অনুযায়ী, ইমরান খান রাজ্য সরকারগুলিকে ক্রমবর্ধমান খাদ্যের দাম এবং সংগ্রহের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এদিকে আবার খাইবার পাখতুনখোয়াতে ঢাবা ও রেস্তোঁরা মালিকরা সোমবার থেকে ধর্মঘটে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। রেস্তোঁরা সঞ্চালকদের অ্যাসোসিয়েশন সরকারকে পুরাতন হারে আটা ময়দা সরবরাহ করতে বা তাদের নান ও রোটির দাম বাড়ানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য বলেছে। ময়দার দাম কমানোর জন্য তারা ইমরান খান সরকারকে ১০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

শাসক দলের মন্ত্রীর রোড শোয়ে অ্যাম্বুলেন্স আটকে মৃত্যু হল রোগীর!

ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরের পশ্চিম বিধানসভা এলাকার কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক বান্না গুপ্তা (Banna Gupta) স্বাস্থ মন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার শহরে পৌঁছান। ওনার জন্য মানগো চৌকে অভিনন্দন সমারোহ এর আয়োজন করা হয়েছিল। কংগ্রেসের কর্মীরা ওনাকে স্বাগত জানানর জন্য সবরকম ব্যবস্থা করে রেখেছিল।

সেই সময় রাস্তায় বিশাল জ্যাম হয়ে যায়। আর এই জ্যামে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স আটকে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা পর অ্যাম্বুলেন্স সেখান থেকে বেরোতে সক্ষম হয়। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সে ফেঁসে থাকা এক রোগী এই একঘণ্টা অপেক্ষা না করতে পেরে, অ্যাম্বুলেন্সেই প্রাণ হারান।

প্রসঙ্গত, বান্না গুপ্তার কনভয় সকাল ১১ নাগাদ ঘাটশিলা থেকে শহরে প্রবেশ করে। আর ওনাকে স্বাগত জানানর জন্য কংগ্রেস কর্মীরা চারিদিকে বিশাল আয়োজন করেছিল। ওনার কনভয় প্রায় ১ঃ৩০ নাগাদ মানগোতে পৌঁছায়। মন্ত্রীকে স্বাগত জানানর জন্য এত ভিড় হয়েছিল যে, রাস্তায় বিশাল জ্যামের সৃষ্টি হয়ে যায়। রাস্তার কংগ্রেসের কর্মীরা বাজ ফাটিয়ে মন্ত্রীকে স্বাগত জানান। মন্ত্রীর এই রোড শোয়ে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স ডিমনা আর পারডিহ রোডে ফেঁসে যায়। অ্যাম্বুলেন্স ফেঁসে যাওয়ার কারণে এক রোগীর মৃত্যু হয়। রোগীর মৃত্যুর পর জ্যামে ফেঁসে থাকা মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

এই ঘটনার পর বিজেপি রোগির মৃত্যুর জন্য সরাসরি মন্ত্রী বান্না গুপ্তাকে দায়ী করে। বিজেপির মুখপাত্র প্রতুল সহদেব মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। আরেকদিকে, এই মামলায় বিজেপির উপর আক্রমণ করে মন্ত্রী বান্না গুপ্তা বলেন, বিজেপি ষড়যন্ত্র করে এসব করছে। উনি বলেন, হেমন্ত সরকারকে দেখে ভয় পেয়েছে বিজেপি, আর সেই কারণে টাকা খরচ করে বিজেপি এমন ষড়যন্ত্র করছে।

শক্তি বাড়ল বিজেপির! ২১ এর বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেন শাসক দলের সাংসদ

ফের শক্তি বাড়ল ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP)। এবার রাজ্যসভার সাংসদ যোগ দিলেন বিজেপিতে। তামিলনাড়ু থেকে রাজ্যসভার সাংসদ শশিকলা পুষ্পা (Sasikala Pushpa) বিজেপির রাষ্ট্রীয় সচিব পি মুরলীধর রাও আর প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি রাধাকৃষ্ণণ এর হাত ধরে রবিবার বিজেপিতে নাম লেখান। আপনাদের জানিয়ে রাখি, শশিকলা পুষ্পাকে তামিলনাড়ুর ক্ষমতায় থাকা আন্নাদ্রমুক (AIADMK) বহিষ্কার করেছিল।

রাজধানী দিল্লীতে আয়োজিত একটি সংবাদ সন্মেলনে শশিকলা-কে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যুক্ত করে দক্ষিণের রাজ্য গুলোর জন্য দলের পর্যবেক্ষক মুরলীধর রাও ওনাকে আক্রমণাত্বক নেত্রী আখ্যা দেন। রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শশিকলার কার্যভার কয়েক মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।

২০১৬ সালে ডিএমকে সাংসদের সাথে বিবাদে যুক্ত হয়ে ওনাকে থাপ্পড় মারার পর শশিকলা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর AIADMK সুপ্রিমো তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ওনাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দেন।

আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে তামিলনাড়ুতে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর জন্য শশিকলাকে বিজেপিতে নেওয়া হয় বলে খবর। দিল্লীতে বিজেপির হেডকয়ার্টারে একটি প্রেস কনফারেন্সে মুরলীধর রাও শশিকলার দলে যুক্ত হওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

বিশ্বগুরু হওয়ার পরিচয় দিল ভারত!এশিয়ার সংকটে নেতৃত্বের হাল ধরছে ভারত দেশ

করোনা ভাইরাসের ভীতির কারণে ভারত (India) সহ বেশ কিছু দেশ তাদের নাগরিকদের চীন থেকে ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে। ভারত বিগত ২ দিন যথাক্রমে ৩৩০ জন ও ৩২৩ জন নাগরিককে ফিরিয়ে এনেছে। এই ভাইরাসের দরুন প্রায় ১ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। চিন্তার বিষয় এই যে, এখন অবধি এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বের করা সম্ভব হয়নি। এখন লক্ষণীয় বিষয় এই যে, ভারত নিজের নাগরিকদের উদ্ধারের সাথে সাথে প্রতিবেশী দেশগুলির হয়েও উদ্ধার কার্য করছে। গতকাল ভোরে চীন থেকে একটা ফ্লাইট ৩২৩ জন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল যা সকাল ৯.৪৫ মিনিটে নেমেছিল।

ওই বিমানে ভারতীয়দের সাথে সাথে ৭ জন মালদ্বীপের নাগরিকও ছিল। ভারতের এই কার্যে একদিকে যেমন সাধারণ ভারতীয়রা খুশি প্রকাশ করেছে তেমনি মালদ্বীপের জনগণঅব ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। অনেকে বলেছেন ভারতের এই কাজ দেখিয়ে দিচ্ছে যে ভারতবর্ষ আগামীদিনে বিশ্বগুরুর রূপ নেবে। অনেকে আবার ভারতকে আঞ্চলিক সুপার পাওয়ার বলেও গণ্য করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত এশিয়া মহাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার পথে অগ্রসর হওয়ার প্রথম ধাপ যে শুরু করেছে তা এই কাজেই প্রমাণিত হয়। জানিয়ে দি, বিশ্বগুরু ও সুপার পাওয়ার হওয়ার মধ্যে একটা বড়ো অন্তর রয়েছে। সুপার পাওয়ার হওয়ার ক্ষমতা বিশ্বের অনেক দেশের রয়েছে, চেষ্টা করলেই সেটা সম্ভব। কিন্তু বিশ্বগুরু হওয়ার দক্ষতা একমাত্র ও শুধুমাত্র ভারতের রয়েছে।

সুপার পাওয়ার দেশের মধ্যে অনেক সময় অহংকার দেখা যায় অন্যদিকে বিশ্বগুরু শব্দের অর্থ শক্তিশালী হয়েও অন্যদের না দমিয়ে সকলকে সঙ্কট থেকে বের করে আনা। স্বামী বিবেকানন্দ ভারতকে বিশ্বগুরু বানানোর যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা যেন এবার এগিয়ে আসতে শুরু করেছে। মালদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লা শাহি ভারতের পদক্ষেপের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ তুলে দেওয়ার পর পাকিস্তান আর কেজরীবালে ব্যথা হয়েছিলঃ যোগী আদিত্যনাথ

দিল্লীর বিধানসভার নির্বাচনী (Delhi Assembly Election) প্রচার অভিযানে যাওয়া উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (yogi adityanath) দিল্লীর তুগলকাবাদে একটি জনসভায় ভাষণ দেন। জনসভা ভাষণ দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালকে (arvind kejriwal) আক্রমণ করেন।

যোগী আদিত্যনাথ বলেন ‘কেজরীবালে পক্ষে পাকিস্তানের মন্ত্রী আবেদন করে বলছেন যে, দিল্লীতে অরাজকতা ছড়িয়ে ভালো করেছে কেজরীবাল। আমি জিজ্ঞাসা চাই, যেই কাজের জন্য পাকিস্তান খুশি হচ্ছে, সেটা নিয়ে আপনাদের খুশি হবে? এনার সাথে পাকিস্তানের এত সম্পর্ক কিসের?”

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ অভিযোগ করে বলেন, ‘যখন কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়া হয়েছিল, তখন ব্যাথা পাকিস্তান আর অরবিন্দ কেজরীবাল পেয়েছিল।” মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কেজরীবালের উপর আক্রমণ করে বলেন, কেজরীবার আর আম আদমি পার্টি শাহিনবাগের প্রদর্শনকারীদের পাশে আছে। পাকিস্তানের মন্ত্রী আর আম আদমি পার্টির নেতা একই সুরে কথা বলছে।

তিন তালাক ইস্যু তুলে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, কয়েক দশক ধরে তিন তালাক নামের কুপ্রথা মুসলিম মহিলাদের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মুসলিম মহিলাদের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তিন তালাক ব্যান করে দেন। যোগী বলেন, বছর বছর ধরে কংগ্রেস যেই কাজ আটকে রেখেছিল, সেই অযোধ্যা মন্দিরের নির্মাণের কাজ নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেই সম্ভব হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হলেন সনিয়া গান্ধী! সাথে আছেন রাহুল প্রিয়াঙ্কা

কংগ্রেসের সভাপতি সনিয়া গান্ধী দিল্লীর (Sonia Gandhi) গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি হলেন। সনিয়া গান্ধীকে রুটিন চেক আপের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সনিয়া গান্ধীর নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়ার পর ওনাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সনিয়া গান্ধীর সাথে রাহুল গান্ধী আর প্রিয়াঙ্কা ভঢড়াও উপস্থিত আছে।

আপনাদের জানিয়ে রকাহি, সনিয়া গান্ধীর শরীর কাল থেকেই অসুস্থ ছিল, আর এরজন্য তিনি শনিবার সংসদে বাজেট পেশের দিন উপস্থিত থাকতে পারেন নি। হাসপাতালের ডাক্তারেরা কংগ্রেসের সভাপতির চিকিৎসা করছে। চিকিৎসার পরেই পুরো ঘটনা সামনে আসবে।

ভারতীয় সেনার হাতে গ্রেফতার পুলওয়ামার হামলাকারী আদিল-এর ভাই, জইশের জঙ্গিদের ভারতে নিয়ে আসত সমীর!

জম্মু কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) পুলওয়ামায় (Pulwama) গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি হওয়া হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান শহীদ হয়েছিলেন। আর এই হামলায় দোষী আদিল ডার এর ভাই সমীর ডার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে। সে জানায়, ডিসেম্বর ২০১৯ এ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-এ-মোহম্মদ (Jaish-E-Mohammad) এর জঙ্গিদের উপত্যকায় পৌঁছে দিয়েছিল। আধিকারিকরা রবিবার এই কথা জানান।

শুক্রবার সমীর ডারকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেনার উপর হামলা করার পর সমীর পালানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু সেনা আর পুলিশের তৎপরতায় সে ধরা পড়ে যায়। দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার কাকপোরার বাসিন্দা সমীর স্বীকার করে যে, সে গত বছর সফল ভাবে জঙ্গিদের পুলওয়ামায় পৌঁছে দিয়েছিল।

সমীর দাবি করে যে, পুলওয়ামায় জঙ্গিদের ছাড়ার পর জঙ্গিরা কোথায় লুকিয়েছে, সেটা তাঁকে জানিয়েছিল না। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে জঙ্গিদের কাছে আর্মড গাড়ি ভেদ করতে সক্ষম স্টিলের গুলি সমেত প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোটক ছিল।

সমীরের এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনার পর পাকিস্তান লাগোয়া আন্তর্জাতিক সীমান্তে প্রহরা দেওয়া বিএসএফ এর চিন্তা বেড়ে গেছে। উল্লেখনীয়, গত বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি সমীরের দূরের ভাই আদিল বিস্ফোটক যুক্ত গাড়ি নিয়ে সিআরপিএফ এর কনভয়ে হামলা করে। আর সেই হামলায় ৪০ জন জওয়ান শহীদ হয়েছিলেন।

শারজিলের স্বপ্ন মতো ভারতকে বানানো হবে ইসলামিক স্টেট! স্লোগান উঠলো CAA বিরোধী মিছিলে

মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দানে (Azad Maidan) শনিবার আয়োজিত একটি বিরোধ-প্রদর্শনে আপত্তিজনক স্লোগান উঠল। রিপোর্টস অনুযায়ী, নতুন নাগরিকতা সংশোধন আইনের (CAA) বিরুদ্ধে LGBT কমিউনিটি ১লা ফেব্রুয়ারি বিরোধ-প্রদর্শন আয়োজন করে। এই বিরোধ প্রদর্শনের সময় সেখানে ‘শারজিল তোর স্বপ্নকে আমরা সফল করব” আর ‘রাবণ তোর স্বপ্নকে আমরা সফল করব” এর স্লোগান ওঠে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, শারজিল ইমাম (Sharjeel Imam) দেশবিরোধী মন্তব্য করে পুলিশের হেফাজতে আছে।

সম্প্রতি শারজিল ইমামের কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে অনেক উসকানি মূলক মন্তব্য আছে। আর সেই ভিডিও গুলোর মধ্যে একটিতে অসম সমেত পুর্বত্তরের রাজ্য গুলোকে ভারত থেকে আলাদা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। শারজিল বলেছেন, যদি চিকেন নেক অসমকে ভারত থেকে আলদা করে দেওয়া হয়, তাহলে সরকার মাথা নোয়াতে বাধ্য হবে। শারজিলের আরেকটি ভিডিওতে মুসলিমদের দেশজুড়ে ধরনার আয়োজন করার জন্য উস্কানি দিয়েছিল।

এই প্রদর্শন আয়োজিত করা সংগঠনের বক্তব্য হল, এই স্লোগান তাঁদের না জানিয়েই দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এও জানিয়েছে যে, এই স্লোগান তাঁদের কানে আসতেই তাঁরা এই স্লোগান দেওয়া বন্ধ করে দেয়। আপনাদের জানিয়ে রাখি, মুম্বাইতে আয়োজিত এমনই একটি বিরোধ প্রদর্শনে ‘আজাদ কাশ্মীর” এর পোস্টার দেখা গেছিল।

এই সময় দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় নাগরিকতা আইনের বিরুদ্ধে প্রদর্শন চলছে। আরেকদিকে, নাগরিকতা আইনের সমর্থনেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় র‍্যালি করা হচ্ছে। সিএএ এর বিরুদ্ধে প্রদরশনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেশ বিরোধী স্লোগান উঠেছে। এছাড়াও, কিছু কিছু জায়গায় ধার্মিক স্লোগানও উঠেছে। এমনকি ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র আর ধর্ষকের রাজধানীও বলা হয়েছে সিএএ এর বিরুদ্ধে প্রদর্শনে।

চীনা নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা স্থগিত করলো ভারত সরকার! আপাতত ভারত আসতে পাবে না চীনা নাগরিকরা

চীনের পরিস্থিতি দিন দিন ভয়ঙ্কর থেকে অতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। করোনা ভাইরাসের দরুন চীনে লাগাতর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এই ভাইরাসের দরুন প্রায় ১ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। চিন্তার বিষয় এই যে, এখন অবধি এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বের করা সম্ভব হয়নি। ভারত দেশ আপাতত চীনে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধারের কাজে নেমে পড়েছে। আজ সকালেই দিল্লীতে একটা ফ্লাইটে ৩৩০ জন ও কাল ৩২৩ জনকে আনা হয়েছে। এর মধ্যে বেশকিছুজন মালদ্বীপের নাগরিক রয়েছে বলেও খবর সামনে এসেছে।

এর মধ্যে থেকে একটা বড়ো খবর সামনে আসছে যে, ভারত চীনা নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা সাময়িকভাবে বাতিল করেছে। আসলে চীন থেকে ফেরা দুই ভারতীয় পড়ুয়ার দেহে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। এর পরেই ভারতের তরফ থেকে এই সিধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফ থেকে এটাও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এই বাতিলের সময়সীমা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

এটাও বলা হয়েছে যে, যে সব চীনা নাগরিকদের জন্য ভারত আসা অত্যন্ত জরুরী তারা বেজিংয়ে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কথা বলতে পারেন। যেহেতু করোনা ভাইরাসের বিষয়টি ভয়ানক থেকে অতি ভয়ানক রূপ নিচ্ছে তাই এমন সিধান্ত কার্যকরী করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তি প্রথমে হাঁচি, সর্দি কাশির সম্মুখীন হচ্ছে। তবে ভাইরাস প্রথমেই কিডনির উপর আক্রমন করছে। এখনও অবধি ভাইরাসের কোনো প্রতিকার আনা সম্ভব হয়নি। জাপান, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, হং কং এ এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এখনও অবধি চীনে ১ লক্ষ জন মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। আসল পরিসংখ্যান আরো বেশি হতে পারে বলে অনেকে মত প্রকাশ করছে।

করোনাভাইরাসঃ ভারতীয়দের ফেরত যেতে দেখে কেঁদে ফেলল পাকিস্তানিরা! বলল ভারতের থেকে শিখুক ইমরান খান

চীনে (China) করোনাভাইরাসে (Coronavirus) মৃতের সংখ্যা ৩০৪ হয়ে গেছে। আর এই ভাইরাসে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ১৪ হাজার পার করেছে। চীনের বুহান (Wuhan) থেকে ৯৬ ঘণ্টায় ৬৪৭ জন ভারতীয়কে দিল্লীতে নিয়ে আসা হয়েছে। মালদ্বীপের ৭ নাগরিককেও ফিরিয়ে এনেছে ভারত। ভারতীয় ছাত্রদের বাড়ি ফেরা দেখে চীনে ফেঁসে যাওয়া পাকিস্তানিরা (Pakistan) নিজদের দেশের সরকারের কাছে সাহায্যের আর্তি জানিয়েছে। আরেকদিকে পাকিস্তান সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাঁরা পাকিস্তানি নাগরিকদের ফেরত আনবে না।

এই ঘোষণার পর ইমরান খান সরকার সমালোচনার মুখে পড়ে যায়। যখন ভারতীয় ছাত্র আর নাগরিকদের সেখান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান পৌঁছায়, সেটা দেখে পাকিস্তানিদের ধৈজ্যের বাঁধ ভেঙে যায়। আর সেটার উদাহরণ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই ভিডিও দেখলেই বোঝা যায়।

ওই ভিডিওতে পাকিস্তানের এক ছাত্র বলে, ‘আমরা এখানে যাঁদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছেন। তাঁরা সবাই ভারতীয় নাগরিক। এই বাস তাঁদের অ্যাম্বেসির তরফ থেকে পাঠানো হয়েছে। বুহানের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ছাত্রদের এয়ারপোর্টে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, আর সেখান থেকে তাঁদের ভারতে নিয়ে যাওয়া হবে। বাংলাদেশের নাগরিকেরাও আজ তাঁদের বাড়ি চলে যাবে। শুধুমাত্র আমরা পাকিস্তানিরা থেকে যাব! আমাদের সরকার বলছে, তোমরা বেঁচে থাক আর মরো, সংক্রমিত হয়ে যাও! আমরা তোমাদের দেশে আনব না। আর তোমাদের কোন সুবিধাও দেবো না।”

ওই ভিডিওতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে যে, পাকিস্তানের ছাত্ররা তাঁদের দেশকে কিভাবে দোষারোপ করছে। ভিডিওতে বলা হচ্ছে, ‘পাকিস্তানের লজ্জা হওয়া উচিৎ, আমদের দেশকে ভারতের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিৎ। পাকিস্তান দেখুক, ভারত কিভাবে তাঁদের নাগরিকদের যত্ন নিচ্ছে।”

ইমরান সরকারের নজর কাড়তে চীনে ফেঁসে থাকা পাকিস্তানি নাগরিক আর ছাত্ররা এই ভিডিও রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেয়। তাঁদের দাবি হল, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পাকিস্তানের নাগরিকদের উদ্ধারের জন্য তৎকাল পদক্ষেপ নিক।

 

Design a site like this with WordPress.com
Get started