পাদরির থেকে আশ্চর্য তেল নিতে গিয়ে পদপিষ্ঠ হয়ে মৃত্যু ২০ জনের! আহত ১৬

তাঞ্জানিয়া (Tanzania) শহরের মোশির একটি স্টেডিয়ামে চার্চের (Church) একটি অনুষ্ঠানে আশ্চর্য তেল পাওয়ার চক্করে হওয়া দৌড়াদৌড়িতে ২০ জনের প্রাণ চলে যায় পদপিষ্ঠ হয়ে। সেখানে একটি চার্চের পাদরি মানুষের মধ্যে আশ্চর্য তেল বিলি করছিল। ওই তেল পাওয়ার জন্য মানুষের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি লেগে যায়। আর সেই দৌড়াদৌড়িতে পদপিষ্ঠ হয়ে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত ১৬। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য, আজ রবিবার মোশির একটি স্টেডিয়ামে প্রচুর পরিমাণে মানুষ জড় হয়েছিলেন। চার্চের পাদরি সবাইকে আশ্চর্য তেল দেওয়ার জন্য ডেকেছিলেন। চার্চের পাদরির দাবি অনুযায়ী, ওই তেল যেই পাবে তাঁর অনেক উন্নতি হবে আর তাঁর জীবনে সুখ বসবাস করবে। এমনকি সবরকম অসুখ থেকে রক্ষা করবে ওই তেল।

যখন পাদরি ওই আশ্চর্য তেল মানুষের মধ্যে বিলি শুরু ক্রএন, তখন সবাই তাড়াহুড়ো শুরু করে দেয়। আর সেই চক্করে দৌড়াদৌড়ি লেগে যায়। আর ২০ জনের মৃত্যু হয় পদপিষ্ঠ হয়ে। শোনা যাচ্ছে যে, এত মানুষ উপস্থিত থাকলেও সভা স্থলে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো ছিলোনা। আর সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটে।

আপনাদের জানিয়ে রকাহি, তাঞ্জানিয়ায় বিগত কয়েক বছর ধরে চমৎকারী পাদরির সংখ্যা হঠাত করে বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই পাদরিরা মানুষদের দারিদ্রতা থেকে বের করা এবং তাঁদের রোগ সারিয়ে দেওয়ার দাবি করে। ওই চার্চ আর পাদরিদের প্রধান উপার্জনের রাস্তা হল মানুষের দানে পাওয়া অর্থ। চার্চের পাদরিরা মানুষদের তাঁদের উপার্জনের ১০ শতাংশ দান করার জন্য প্রেরিত করে।

শ্রীনগরের লাল চৌকে সেনার উপর গ্রেনেড হামলা! আহত CRPF এর চার জওয়ান

জম্মু কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) শ্রীনগরে রবিবার সিআরপিএফ (CRPF) এর জওয়ানদের উপর গ্রেনেড হামলা হয়। এই হামলায় এক জওয়ান আহত হয়েছে। আরেকদিকে, এই হামলায় চার স্থানীয় ব্যাক্তিও আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এই ঘটনা শ্রীনগরের লাল চৌক এলাকার প্রতাপ পার্কে ঘটেছে। এই ঘটনার পিছনে কোন জঙ্গি সংগঠনের হাত আছে, সেটা এখনো জানা যায়নি।

পুলিশের এক আধিকারিন জানান, জঙ্গিরা শহরের লা চৌক এলাকার প্রতাপ পার্কের পাশে ডিউটিতে মোতায়েন কেন্দ্রীয় পুলিশ ফোর্স এর জওয়ানদের উপর গ্রেনেড হামলা করে। উনি বলেন, হামলায় সিআরপিএফ এর এক জওয়ান আর স্থানীয় চার জন আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আধিকারিক জানান, বিস্ফোরণের আওয়াজে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। উনি জানান, ঘটনার পর সেনা চারিদিক ঘিরে ফেলেছে।

এর আগে শুক্রবার শ্রীনগরের ন্যাশানাল হাইওয়ের একটি টোল প্লাজার কাছে জঙ্গিদের একটি গ্রুপ পুলিশের উপরে হামলা করেছিল। জঙ্গিদের হামলার জবাবে সেনা আর পুলিশ পালটা হামলা চালায় আর তিন জঙ্গিকে খতম করে। এই এনকাউন্টারে এক পুলিশ কর্মী আহত হন।

পুলিশ জানায়, জঙ্গিরা কিছুদিন আগেই ভারতে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করা সংগঠনের অংশ। এই সংগঠন কাঠুয়া জেলার হিরানগর আন্তর্জাতিক সীমা থেকে ভারতে ঢুকে কাশ্মীরের দিকে যাচ্ছিল।

চীন থেকে ফেরার পর ভারতীয় পড়ুয়ারা দিল ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘হর হর মহাদেব’শ্লোগান

করোনা ভাইরাস নিয়ে চীন সহ পুরো বিশ্ব ভয়ভীতি হয়ে পড়েছে। এর মূল কারণ এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বের করা সম্ভব হয়নি। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তি প্রথমে হাঁচি, সর্দি কাশির সম্মুখীন হচ্ছে। তবে ভাইরাস প্রথমেই কিডনির উপর আক্রমন করছে। এখনও অবধি ভাইরাসের কোনো প্রতিকার আনা সম্ভব হয়নি। জাপান, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, হং কং এ এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এখনও অবধি চীনে ১ লক্ষ জন মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। আসল পরিসংখ্যান আরো বেশি হতে পারে বলে অনেকে মত প্রকাশ করছে। এই ভাইরাসের আতঙ্কের কারনে প্রায় ৪২ মিলিয়ন বা সাড়ে ৪ কোটি মানুষকে নজদারিতে রাখা হয়েছে বলে খবর সামনে আসছে। করোনা ভাইরাস চীন থেকে শুরু করে পুরো বিশ্বে যেভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে, তা অত্যন্ত ভয়ানক বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার দরুন সব দেশ তাদের নাগরিকদের চীন থেকে বের করে আনছে। চীনের উহান প্রদেশে আটকে থাকা ভারতীয় ছাত্রদেরও ভারত সরকার বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে। আজ সকাল ৭.২৬ মিনিটে দিল্লী এয়ারপোর্টে সকল ভারতীয়কে ল্যান্ডিং করানো হয়েছে। চীন থেকে দিল্লী উড়ে আসা এই বিমানে ৩২৪ জন ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার সাথে সাথে দেশের জনগণ সরকারের প্রশংসা শুরু করেছেন। অনেকে প্রাক্তণ বিদেশমন্ত্রী তথা প্রয়াত সুষমা স্বরাজের টুইটের স্ক্রিন শট শেয়ার করেছেন। যেখানে সুষমা স্বরাজ বলেছিলেন যদি কোনো ভারতীয় চাঁদে আটকে যায় তাহলে সেখানেও ভারতীয় দূতাবাস পৌঁছে যাবে সাহায্যে জন্য। অনেকে বলেছেন আজ সুষমা স্বরাজ নেই কিন্তু উনি বিদেশমন্ত্রকের ভিত্ত এমন তৈরি করে গেছেন যা উনাকে স্মরণ করতে বাধ্য করে।

চীন থেকে ফেরার পর ভারতীয়রা ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘হর হর মহাদেব’, ‘হর হর মোদী’ ইত্যাদি শ্লোগান দিয়ে খুশি ব্যাক্ত করেছেন। মূলত দেশের প্রতি সন্মান জানাতে ও মোদী সরকারের প্রশংসা করতে এই শ্লোগান দিয়েছে। অন্যদিকে চীনে যে সমস্থ পাকিস্তানি পড়ুয়ারা ফেঁসে আছে তাদের জন্য পাকিস্তান সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

শাহিনবাগে ধরনায় বসা মুসলিম মহিলাদের বিরুদ্ধে প্রদর্শন স্থানীয়দের! রাস্তা খোলার দাবীতে অনড় তাঁরা

শাহিনবাগে (shaheen bagh) কিছু স্থানীয়রা ৫০ দিন ধরে বন্ধ পড়ে থাকা রাস্তা খোলার জন্য প্রদর্শন শুরু করেছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, নাগরিকতা সংশোদন আইন (CAA) এর বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ দিন ধরে দিল্লীর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মধ্যে একটি শাহিনবাগ। আর সেই রাস্তায় এখন জ্যাম, প্রভাবিত প্রায় লক্ষাধিক মানুষ।

প্রদর্শনকারীরা জানান, শাহিনবাগে চলা আন্দোলনের কারণে তাঁদের অনেক সমস্যার সন্মুখিন হতে হচ্ছে। উল্লেখ, শাহিনবাগে দীর্ঘদিন ধরে চলে সিএএ এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ গোটা দেশে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। শাহিনবাগের পরেই দেশে বিভিন্ন জায়গায় একই ধাঁচে সিএএ এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, নাগরিকতা সংশোধন আইন অনুযায়ী, কেন্দ্র সরকার পাকিস্তান, আফগানিস্তান আর বাংলাদেশ থেকে আসা সংখ্যালঘু হিন্দু, শিখ, ইসাই, পারসি, বৌদ্ধ আর জৈন শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকতা দেওয়ার কথা বলেছে। আর সরকারের এই আইনের বিরুদ্ধে শাহিনবাগে প্রদর্শন চলছে।

লোকসভা এবং রাজ্যসভায় CAA  পাশ হওয়ার পর দিল্লী জামিয়া আর শাহিনবাগে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে। এই আইনের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করছে, তাঁরা এই আইনকে অসাংবিধানিক এবং ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করার অভিযোগ তুলেছে।

শাহিনবাগে গুলি চালানো ব্যাক্তি মায়াবতীর ফ্যান! নির্বাচনে মায়াবতীর হয়ে প্রচার করেছিল সে!

শাহিনবাগে (shaheen bagh) নাগরিকতা সংশোধন আইন (CAA) এর বিরুদ্ধে হওয়া প্রদর্শনের পাশে কপিল বনসেলা নামের এক ব্যাক্তি গুলি চালায়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, ওই ব্যাক্তি উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতীর (Mayawati) সমর্থক। অভিযুক্ত ২০১৭ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় মায়াবতীর দল বহুজন সমাজ পার্টির (Bahujan Samaj Party) হয়ে প্রচার করেছিল।

গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট জানাচ্ছে যে, অভিযুক্ত কপিল নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের জন্য অনেক পোস্ট করেছিল। আর সেই সমস্ত পোস্ট বহুজন সমাজ পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতীর সমর্থনে ছিল। অধিকাংশ পোস্ট জানুয়ারি আর ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তে করা হয়েছিল। জুন ২০১৭ সালে কপিলের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ শাহিনবাগের ধরনার কাছে এক ব্যাক্তি দেশি পিস্তল নিয়ে হাওয়ায় গুলি চালায়। পুলিশ জানায় যে, অভিযুক্ত দুবার গুলি চালিয়েছিল। ঘটনাস্থল থেকে দুটি কারতুসের খোল উদ্ধার করা হয়েছে। যেহেতু সেখানে পুলিশের ব্যারিকেড ছিল, তাই অভিযুক্তকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করে নেওয়া হয়। পুলিশ মামলা দায়ের করে অভিযুক্তের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। অভিযুক্ত নিজের নাম কপিল বনসেলা জানিয়েছে। সে নয়ডার পাশে দল্লুপুরা এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের হাতে পড়ে ওই ব্যাক্তি ‘জয় শ্রী রাম” এর স্লোগান দিতে থাকে। যখন যুবকের কাছে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, সে কেন গুলি চালিয়েছিল? তখন যুবক বলেছিল আমদের দেশে এসব কি হচ্ছে? এতদিন ধরে রাস্তা বন্ধ! কিন্তু কেউ কিছু বলছে না। ওই যুবক বলে, আমাদের দেশ হিন্দুদের দেশ, এখানে শুধু হিন্দুদের কথা চলবে।

বড় খবরঃ কমলেশ তিওয়ারির পর উত্তরপ্রদেশে আরও এক হিন্দু নেতাকে প্রকাশ্যে হত্যা করল দুষ্কৃতীরা!

উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) রাজধানী লখনউতে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার (Akhil Bharatiya Hindu Mahasabha) রাজ্য সভাপতি রনজিত বচ্চনকে (Ranjeet Bachchan) প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি মেরে হত্যা করল দুষ্কৃতীরা। রাজধানী লখনউ এর জনবসতি পূর্ণ এলাকা হজরতগঞ্জে রনজিত বচ্চনের হত্যার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। আরেকদিকে, রনজিত এর ভাইয়ের শরীরেও গুলি লাগে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল প্রায় ছয়টা নাগাদ হিন্দু মহাসভার সভাপতি রনজিত বচ্চন নিজের ভাইয়ের সাথে মর্নিয় ওয়াকে বেরিয়েছিলেন। হজরতগঞ্জ এলাকায় সিডিআরআই এর কাছে বাইকে করে দুষ্কৃতীরা এসে তাঁদের উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালায়।

দুষ্কৃতীরা হিন্দু নেতার মাথায় গুলি মারে, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হিন্দু নেতা রনজিতের। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে রনজিতের ভাইয়ের গায়েও গুলি লাগে। গুলি মারার পর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা সহজেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছেছে। হিন্দু নেতা রনজিত বচ্চনের দেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। রনজিত বচ্চন হজরতগঞ্জের ওসিআর বিল্ডিংয়ের বি ব্লকে থাকতেন। তিনি গোরখপুরের বাসিন্দা।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, রনজিত তাঁর ভাইয়ের সাথে সকালে মর্নিংওয়াকে বেরিয়েছিলেন। গ্লোব পার্ক থেকে বেরনোর সময় বাইকে করে দুষ্কৃতীরা এসে ওনার উপর হামলা করে দেয়। গুলি লাগার কারণে ওনার ভাইও আহত হন। রনজিতের ভাইয়ের হাতে গুলি লেগেছে। তাঁকে আহত অবস্থায় ট্রমায় ভর্তি করানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

মরা বাঁচা উপরওয়ালার হাতে, তাই চীনে আটকে থাকা পাক ছাত্রদের ফিরিয়ে আনলো না পাকিস্তান সরকার!

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে পুরো চীন (China) বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশ্বের সমস্থ দেশগুলিও ভয়ভীতি রয়েছে। এই ভাইরাসের সরাসরি প্রভাব থেকে বাঁচতে অনেকে মাংস বা মাংস জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকার কথা বলেছেন। চীনের খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে অনেক ভারতীয়ও আটকে পড়েছেন। চীন থেকে ভারতীয় নাগরিকদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রালয় টুইট করে জানিয়েছে যে ভারতের অনেক শহরে এই মামলা সামনে এসেছে। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া কোরোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা রয়েছে এবং ভারতও এর শিকার হচ্ছে। চীনে আটকা পড়ে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ভারত সরকার (Indian Govt) কাজের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল যে চীনে উপস্থিত ভারতীয়দের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভারতে আনা হবে। এখন সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে।

বিদেশ মন্ত্রালয়ের মুখপাত্র রবিশ কুমারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে চীনের হুবেই প্রদেশে করোনার ভাইরাসে আক্রান্ত সমস্ত ভারতীয় নাগরিককে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। বেইজিংয়ে আমাদের দলটি চীন সরকারের সাথে যোগাযোগে রয়েছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের আপডেট নিচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে আপডেট দিতে থাকব।

এখন চীন থেকে একটা দুঃখজনক ছবি সামনে আসছে যা পাকিস্তানের সরকারকে লজ্জিত করবে। আসলে ভারত সরকার চীন থেকে নিজেদের লোকজনকে ফিরিয়ে আনার কাজ তীব্র করেছে। চীনের ওহান এলাকায় ভারতের অনেক ছাত্র ছাত্রী পড়াশোনা করে। তাদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ওহান এলাকায় পাকিস্তানেরও অনেক ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করে। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তাদেরকে ভাগ্যের ভরসায় ছেড়ে দিয়েছে।

ভারত সরকার লাগাতার চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে রেখেছে, অন্যদিকে পাকিস্তানের কিছুজন বলেছেন মরা বাঁচা কারোর হাতে নেই। একটা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভারতের দূতাবাস থেকে বাস পাঠানো হয়েছে ভারতীয় ছাত্রদের জন্য যাতে তাদের এয়ারপোর্ট অবাধি নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু সেখানেই পাকিস্তান ছাত্ররা সেটা দাঁড়িয়ে করুন দৃষ্টিতে দেখছে। পাকিস্তান তার আচরণের জন্য ভারতের শত্রু হলেও ভারতীয়রা এই করুন ভিডিও দেখে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ও পাক সরকারকে ধিক্কার জানিয়েছেন।

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে চীন থেকে ভারতীয় ছাত্ৰদের দেশে ফিরিয়ে আনছে সরকার! ভাগ্যের ভরসায় কাঁদছে পাকিস্তানি ছাত্ররা

করোনা ভাইরাসের (Corona Virus) প্রভাবে পুরো চীন (China) বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশ্বের সমস্থ দেশগুলিও আতঙ্কিত রয়েছে। এই ভাইরাসের সরাসরি প্রভাব থেকে বাঁচতে অনেকে মাংস বা মাংস জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকার কথা বলেছেন। চীনের খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে অনেক ভারতীয়ও আটকে পড়েছেন। চীন থেকে ভারতীয় নাগরিকদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রালয় টুইট করে জানিয়েছে যে ভারতের অনেক শহরে এই মামলা সামনে এসেছে। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া কোরোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা রয়েছে এবং ভারতও এর শিকার হচ্ছে। চীনে আটকা পড়ে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ভারত সরকার কাজের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল যে চীনে উপস্থিত ভারতীয়দের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভারতে আনা হবে। এখন সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে।

বিদেশ মন্ত্রালয়ের মুখপাত্র রবিশ কুমারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে চীনের হুবেই প্রদেশে করোনার ভাইরাসে আক্রান্ত সমস্ত ভারতীয় নাগরিককে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। বেইজিংয়ে আমাদের দলটি চীন সরকারের সাথে যোগাযোগে রয়েছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের আপডেট নিচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে আপডেট দিতে থাকব।

এখন চীন থেকে একটা দুঃখজনক ছবি সামনে আসছে যা পাকিস্তানের সরকারকে লজ্জিত করবে। আসলে ভারত সরকার চীন থেকে নিজেদের লোকজনকে ফিরিয়ে আনার কাজ তীব্র করেছে। চীনের ওহান এলাকায় ভারতের অনেক ছাত্র ছাত্রী পড়াশোনা করে। তাদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ওহান এলাকায় পাকিস্তানেরও অনেক ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করে। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তাদেরকে ভাগ্যের ভরসায় ছেড়ে দিয়েছে।

ভারত সরকার লাগাতার চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে রেখেছে সেখানে পাকিস্তানের কিছুজন বলেছেন মরা বাঁচা আল্লাহর হাতে। একটা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভারতের দূতাবাস থেকে বাস পাঠানো হয়েছে ভারতীয় ছাত্রদের জন্য যাতে তাদের এয়ারপোর্ট অবাধি নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু সেখানেই পাকিস্তান ছাত্ররা সেটা দাঁড়িয়ে করুন দৃষ্টিতে দেখছে। পাকিস্তান তার আচরণের জন্য ভারতের শত্রু হলেও ভারতীয়রা এই করুন ভিডিও দেখে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ও পাক সরকারকে ধিক্কার জানিয়েছেন।

ভারতীয়দের ধনসম্পদে পরিপূর্ণ করে দেবে মোদীর ৫ ট্রিলিয়ন ইকোনোমি! স্বপ্ন পূরণ হতে লাগবে সামান্য কিছু বছর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সম্প্রতি বারাণসীতে বলেছিলেন যে তিনি শীঘ্রই ভারতকে ৫ ট্রিলিয়ন অর্থব্যবস্থা বানানোর স্বপ্ন দেখেন। এর সাথে এই প্রশ্নটি চর্চায় উঠেছিল যে আসলে এই ৫ ট্রিলিয়ানের অর্থব্যবস্থার মানে কি ? ভারত বাদে আর কোন কোন দেশ এই উপলব্ধিকে প্রাপ্ত করেছে এবং ভারত কত দিনের মধ্যে এই লক্ষকে প্রাপ্ত করে নেবে? ৫ ট্রিলিয়ানের অর্থ হলো ৫ লাখ কোটি। অর্থাৎ দেশের অর্থ ব্যবস্থার আকার ৫ লাখ কোটি হওয়া উচিত। এবার একটু অতীতে যাওয়া যাক। PM মোদী এটিও পরিষ্কার করেছে যে গত ৫৫ বছরে ভারত মাত্র ১ ট্রিলিয়ানের ডলারের অর্থ ব্যাবস্থা তৈরি করতে পেরেছিল আর গত ৫-৬ বছরেই তা ৩ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থব্যবস্থা হয়ে গেছে। এই গ্রোথ অপ্রত্যাশিত। পিএম যে লক্ষকে নিয়ে চলছে তার জন্য দেশকে ৮ শতাংশের গ্রোথ রেট দরকার। এরজন্য দরকার পড়বে ভালো বিনিয়োগের।

এই উপলব্ধি প্রাপ্ত হওয়ার সাথে দেশের  অর্থব্যাবস্থা ব্রদ্ধি হলে গ্রোথ পার ক্যাপিটালও বৃদ্ধি পাবে। প্রাইস ওয়াটার হাউস ত্রুপাসের অনুযায়ী, ২০৫০ সালে ভারত GDP হবে ৪৪.১২৮ ট্রিলিয়ন US ডলার। ভারতের থেকে সামান্য এগিয়ে থাকবে চীন। ভারত দ্বিতীয় স্থান দখল করবে এবং আমেরিকা তৃতীয় স্থানে থাকবে। ভারতের জনগণ সামান্য প্রচেষ্টা বাড়ালে প্রথম স্থানেও চলে আসতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

ভারতের আগে আমেরিকা, জাপান ও চীনে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থ ব্যাবস্থা তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু এটি এতো সোজা নয়। আমেরিকাকে এই উপলব্ধি করতে ৯ বছর লেগে গেছিল। জাপানের ৮ বছর। শুধু চীন মাত্র ৩ বছরে এটিকে প্রাপ্ত করবে পেরেছে। সরকার এই উপলব্ধির জন্য তিনটি স্তরে কৌশল বানাচ্ছে। সরকারি খরচে গতি আনা হবে। মৌলিক গঠনে মারাত্মক বিনিয়োগের পরিকল্পনা আছে। যদি ৫ বছরে ১০০ লাখ কোটির বিনিয়োগের লক্ষ থাকে। সরকার রপ্তানিকে উদ্দীপক করার বড় পরিকল্পনার উপর কাজ করছে। এরসাথেই নিজ বিনিয়োগের সীমায় অভূতপূর্ব বৃদ্ধির লক্ষ আছে। আগামী কিছু বছরে ট্রিলিয়ন ইকোনমি বানানোর স্বপ্ন মাটিতে নামানোর জন্য সরকার কোনো খামতি রাখতে চায়না। বাজেটে সরকার ট্যাক্সের ছাড় নিয়ে যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা দেশকে বড়ো লাভ দিতে চলেছে এ নিয়ে সন্দেহ নেই।

জানিয়ে দি, দেশের অর্থব্যবস্থাকে মজবুত করার জন্য দেশের মানুষ নিজের স্তরে যা করতে পারে তা হলো নিজের নিজের কাজের প্রতি মনযোগ বৃদ্ধি দিয়ে পরিশ্রম করা এবং জনগণের মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা বৃদ্ধি করা। আসলে ভারতের প্রচুর টাকা বিদেশী কোম্পানির হাতে চলে যায়। মানুষের মধ্যে দেশের প্রতি চেতনা বৃদ্ধি হলে বিদেশের হাতে দেশের অর্থ যাওয়ার পরিমান কম হবে। ভারতের জনগন সকালে ঘুম থেকে ইথে টুথপেস্ট থেকে শুরু করে খাবারের পর কোল্ড ড্রিঙ্কস সবক্ষেত্রে বিদেশী কোম্পানির পণ্য প্রচুর পরিমানে ব্যাবহার করে। এমনকি পোশাকের ক্ষেতেও ভারতীয়রা বিদেশের ব্যান্ড ক্রয় করতে গিয়ে দেশের টাকা দেশের বাইরে প্রেরণ করে। ভারতীয়রা সচেতন হয়ে  দেশের কোম্পানিগুলির উপর ভরসা বাড়ালে দেশের প্রচুর অর্থ সঞ্চয় হবে এবং খুব সহজেই বড়ো আর্থিক শক্তি হিসেবে উঠে আসা যাবে।

স্বস্তি পাবে মধ্যবিত্তরা, বাজেট নিয়ে রাহুল গান্ধীর উল্টো সুর কংগ্রেসের সাংসদের গলায়!

সাধারণ বাজেট ২০২০ (Union Budget 2020) পেশ হওয়ার পর ক্ষমতায় থাকা বিজেপি (BJP) এটিকে ঐতিহাসিক বলে নিজেদের প্রশংসা কুড়োতে ব্যস্ত। আরেকদিকে এই বাজেটকে নিরাশাজনক বলে বিজেপির উপর আক্রমণ করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের (Congress) সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শশি থারুর (Shashi Tharoor) বলেন, এই বাজেটে দেশের মধ্যবিত্তরা স্বস্তি পাবে। থারুর ট্যাক্স ট্যাক্সের ছাড় নিয়ে বলেন, এর ফলে দেশের মধ্যবিত্তরা স্বস্তি পাবে। যদিও তিনি পুরো বাজেট নিয়ে খুব একটা খুশি না।

উনি বলেন, এই বাজেট পুরনো স্লোগানের রিপ্যাকেজিং। উনি বাজেট নিয়ে ব্যাঙ্গ করে বলেন, আমরা স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া থেকে সিট ডাউন ইন্ডিয়ার দিকে যাচ্ছি। এই বাজেট নিয়ে বিরোধী পক্ষের সমস্ত নেতাই নিজেদের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। বেশিরভার নেতাই এই বাজেটকে নিরাশাজনক বলেছেন।

রাহুল গান্ধী ২০২০-২১ এর বাজেট নিয়ে বলেন, ভারতের সামনে এখন সবথেকে বড় সমস্যা হল বেকারত্ব আর অর্থব্যবস্থা। উনি বলেন, কোন ভালো পরিকল্পনা ছাড়াই এই বাজেট পেশ করা হয়েছে। ইতিহাসের সবথেকে দীর্ঘ বাজেট, কিন্তু এই বাজেটে কিছুই ছিলোনা। পুরো ফাপা বাজেট।

সমাজবাদী পার্টির রাষ্ট্রীয় সভাপতি অখিলেশ যাদব বলেন, বাজেট দেশের কৃষক আর যুবকদের হতাশ করেছে। উত্তর প্রদেশের সরকার বলেছে যে, এখানে নতুন জেনারেশন সবথেকে বেশি, কিন্তু নতুন জেনারেশনের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য এদের কাছে চাকরি নেই, আর কোন বিনিয়োগ নেই।

কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বাল বলেছেন, আমার খুশি যে অর্থ মন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, রাজকোষের ঘাটতি ৩.৮ শতাংশ। ওনার দেশকে এটাও বলা উচিৎ, যদি আপনি ইউনিয়ান আর স্টেটের ঘাটতি ধরেন, তাহলে এটি ৮ শতাংশের বেশি হবে। যেটা দেশের জন্য খুব চিন্তার বিষয়।

Design a site like this with WordPress.com
Get started