কংগ্রেস সাংসদ কুরিয়াকোস, যার বিরুদ্ধে দায়ের আছে ২০৪ টি ক্রিমিনাল কেস! কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও দিয়েছিলেন হুমকি

২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের (Congress) হাতে মোট ৫২ টি আসন এসেছিল। আর ওই ৫২ জন সাংসদের মধ্যে একজন ছিলেন কেরলের ডিন কুরিয়াকোস (Dean Kuriakose)। নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর কংগ্রেসের এই সাংসদকে নিয়ে অনেক খবর মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছিল। উল্লেখ্য, সপ্তদশ লোকসভায় ডিন কুরিয়াকোসের উপড়ে সবথেকে বেশি ক্রিমিনাল কেস ছিল। ওনার বিরুদ্ধে মোট ২০৪ টি ক্রিমিনাল কেস দায়ের আছে।

ইড্ডুকি লোকসভা আসন থেকে নির্বাচনে জিতে সংসদে পৌঁছান ডিন কুরিয়াকোস নিজের হলফনামায় বলেছিলেন যে, ওনার বিরুদ্ধে ২০৪ টি অপরাধিক মামলা দায়ের আছে। লুটপাট, কারোর ঘরে জোর করে ঢোকা আর অপরাধের উস্কানি দেওয়ার মামলায় আছে ওনার বিরুদ্ধে।

কেরলের রাজনীতিতে কংগ্রেসের যুব মুখ হিসেবে খ্যাত কুরিয়াকোস নির্বাচনে ১.৫ লক্ষের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।

কুরিয়াকোস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে হুমকি দেওয়াতেও অভিযুক্ত। উল্লেখ, লোকসভায় উন্নাও রেপ কেস নিয়ে তর্ক চলছিল। আর সেই সময় কংগ্রেসের কিছু সাংসদ স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani) সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর কুরিয়াকোস তেড়েমেরে স্মৃতি ইরানির দিকে এগিয়ে যায়। এরপর সংসদে হাঙ্গামা আরও বেড়ে যায়। বিজেপির তরফ থেকে কংগ্রেসের সদস্যদের হুমকি দেওয়ার মতো আচরণ করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।

AAP এর জয়লাভের পর আনন্দ উদযাপন হলো পাকিস্তানে! ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মজা উড়ালো কট্টরপন্থীরা

দিল্লির মুসলিম সম্প্রদায় নির্বাচনে একতার দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে অন্যদিকে হিন্দু সম্প্রদায় যথারীতি আবার ভোট বিভাজন এই কারণেই দিল্লিতে আম আদমি পার্টি জিতেছে। মুসলিমরা একতরফা আম-আদমি-পার্টিকে ভোট প্রদান করেছে। কংগ্রেসকে ভোট প্রদান করলে মুসলিম ভোটের বিভাজন হতো কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায় কংগ্রেসকেও জলাঞ্জলি দিয়ে শুধুমাত্র আম-আদমি পার্টিকে ভোট দিয়েছিল। ফলস্বরূপ দিল্লীর নির্বাচনে আরো একবার AAP ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। সোজা ভাষায় হিন্দুদের একতার অভাব ও মুসলিমদের জোটকে কেজরিওয়ালের জেতার জন্য একটা বড়ো প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। মুসলিমরা একদিকে জোট বেঁধে বিজেপি বিরোধিতা করেছে, অন্যদিকে হিন্দুরা কেজরিওয়াল থেকে পাওয়া সুবিধার খাতিরে বিভক্ত হয়েছে বলে দাবি।

অমিত শাহ একবার নির্বাচন সভায় বলেছিলেন, দিল্লিতে যদি আম আদমি পার্টি জয়লাভ করে, তবে পাকিস্তানে এটি উদযাপিত হবে। এখন অমিত শাহের কথা সঠিক প্রমানিত হচ্ছে। দিল্লীতে নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই পাকিস্তানে উৎযাপন শুরু হয়েছে।

ফাওয়াদ হুসেন নামে একজন পাকিস্তানি মন্ত্রী তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কেজরিওয়ালের দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং শুধু তা-ই নয়, ভারত দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মজা করা শুরু হয়েছে। দিল্লীতে হিন্দুদের সংখ্যা বেশি হলেও হিন্দুদের একাংশ ভোটের দিনকে নিজের ছুটি মনে করে ভোট দিতে বাড়ি থেকে বের হয় না। আর বাকি ভোট বিভিন্ন পার্টির মধ্যে ভাগাভাগি হয়। অন্যদিকে মুসলিম ভোট একতার সাথে এক পার্টির খাতাতেই পড়ে।

এখন দিল্লীবাসীর দ্বারা নির্মিত ফলাফল দেখে পাকিস্তানের এক মন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মজা উড়াতে শুরু করেছে। ফাওয়াদ হুসেন এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হাসি মজা শুরু করেছে। পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাওয়াদ হোসেন এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বেচারা বলে অভিহিত করেছেন এবং হাসি মজা শুরু করেছেন।

দেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার মেট্রো শুরু হচ্ছে আজ, প্রতীক্ষায় গোটা ভারত

জলের নিচে সফর করা মানুষের স্বপ্ন আজ পূরণ হতে চলেছে। কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন (KMRC) ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রোজেক্ট (East-West Corridor) অনুযায়ী, আন্ডারওয়াটার মেট্রো টানেল তৈরি হয়ে গেছে। আজ ১৩ই ফেব্রুয়ারি কলকাতায় (Kolkata) দেশের সর্বপ্রথম আন্ডারওয়াটার মেট্রো দেখার জন্য গোটা ভারত নজর লাগিয়ে বসে আছে। আজকেই এই আন্ডারওয়াটার মেট্রোর উদ্বোধন হবে। এই টানেল কলকাতাকে হাওড়ার সাথে যুক্ত করবে।

এই মেট্রোর নির্মাণ দুটি পর্যায়ে হয়েছে। কলকাতা ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রোজেক্ট প্রায় ১৬ কিমি লম্বা। প্রথম পর্যায়ে এই স্টেডিয়াম সল্টলেক স্টেডিয়াম থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের মধ্যে ৫.৫ কিমি বিস্তৃত। এই লাইন করুণাময়ী, সেন্ট্রাল পার্ক, সিটি সেন্টার আর বেঙ্গল কেমিক্যাল মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত। আর দ্বিতীয় পর্যায়ে আন্ডার গ্রাউন্ড মেট্রো ১১ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।

এই সুরঙ্গ বানানোর জন্য রাশিয়া আর থাইল্যান্ডের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে বানিয়েছে। সুরঙ্গে জল আটকানর জন্য বিশ্বের সবথেকে উন্নত প্রজুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। সুরঙ্গে জল প্রবেশ আটকাতে তিনটি স্তরে সুরক্ষা কবচ বানানো হয়েছে। এই সুরঙ্গে ৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টার গতিতে মেট্রো রেল দৌড়াবে।

২০০৯ সাল থেকে এই প্রোজেক্টের কাজ শুরু হয়েছিল। বর্তমান রেল মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের কার্যকালে এই কাজ খুবই দ্রুত গতিতে হয়েছিল। ২০২১ এর মধ্যেই এই কাজ শেষ হওয়ার কথা। আপ আর ডাউন লাইনের জন্য দুটি সুরঙ্গ বানানো হবে। এই প্রোজেক্টে প্রায় ৮৫৭৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

সরকারের টাকা দিয়ে আর পড়ানো হবেনা কোরআন! অসমে সমস্ত মাদ্রাসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের

অসম সরকার (Assam Government) রাজ্যে সরকার দ্বারা সঞ্চালিত সমস্ত মাদ্রাসা (Madrasa) আর সংস্কৃত স্কুল গুলোকে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যে চলা চলা ধার্মিক স্কুল গুলোকে কয়েকমাসের মধ্যেই হাইস্কুল আর উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে পরিণত করা হবে। অসমের শিক্ষা মন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, আমরা সমস্ত মাদ্রাসা আর সংস্কৃত স্কুল গুলোকে হাই স্কুল আর উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কারণ আমরা রাজ্যে ধার্মিক সংস্থান গুলোকে আর ফান্ড দিতে পারব না। যদিও, বেসরকারি সংগঠন/ সামাজিক সংগঠন দ্বারা সঞ্চালিত মাদ্রাসা গুলো জারি থাকবে।

হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ধার্মিক উদ্দেশ্যর জন্য ধর্ম, ধার্মিক শাস্ত্র, আরবি আর অন্য ভাষায় পড়াশুনা করানো সরকারের কাজ না। উনি বলেন, যদি কোন বেসরকারি সংগঠন নিজের টাকা খরচ করে ধর্মের পড়াশুনা চালাতে পারে, তাহলে আমাদের কোন সমস্যা নেই। উনি বলেন, মাদ্রাসায় যদি কোরআন পড়ানর জন্য রাজ্য সরকারের টাকা ঢালতে হয়, তাহলে আমাদের গীতা আর বাইবেল পড়ানর জন্যও টাকা দেওয়া উচিৎ।

মন্ত্রী পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, শুধুমাত্র সরকার দ্বারা সঞ্চালিত ধার্মিক স্কুল গুলোকেই বন্ধ করা হচ্ছে। মাদ্রাসা আর সংস্কৃত স্কুলে কাজ করা শিক্ষকদের চাকরিও যাবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি। উনি জানান, অবসরের সময় পর্যন্ত এই শিক্ষকদের ঘরে বসে পয়সা দেবে সরকার।

আপনাদের জানিয়ে দিই, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড অনুযায়ী অসমে রাজ্য সরকার দ্বারা ৬১২ টি মাদ্রাসা চালানো হয়। ওই মাদ্রাসা গুলোতে ইসলামিক শিক্ষা দেওয়ার সাথে সাথে অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও পড়ানো হয়। মাদ্রাসার সাথে সাথে সরকারের অনুদানে চলা ১০১ টি সংস্কৃত বিদ্যালয়ও আছে। আর এই সবগুলোকেই বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ম সরকার।

কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ বলে আরও একবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন রাহুল গান্ধী!

কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতি তথা কেরলের ওয়ানাড থেকে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) একটি মারাত্মক ভুল করে আবারও ট্রলের শিকার হয়ে বসলেন। উনি করোনাভাইরাস (Coronavirus) নিয়ে মোদী সরকারের (Modi Sarkar) উপর আক্রমণ করতে চাইছিলেন, কিন্তু এই আক্রমণ করতে গিয়ে উনি নিজেই এত বড় ভুল করে বসবেন সেটা বুঝতে পারেন নি।

রাহুল গান্ধী মোদী সরকারের উপর আক্রমণ করে বলেন, ‘করোনাভাইরাস আমাদের অর্থব্যবস্থার জন্য চরম গম্ভীর বিপদ। আমার হিসেবে সরকার এটিকে গম্ভীর ভাবে নিচ্ছে না। সরকারের উচিৎ সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া।”

এত পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু উনি এই ট্যুইটের সাথে বিশ্বের একটি ম্যাপ শেয়ার করেন, যেখানে ভারতকে কাশ্মীর (Kashmir) থেকে আলাদা দেখানো হয়েছিল। ওই ম্যাপে জম্মু কাশ্মীরের একটি এলাকাকে পাকিস্তানের অংশ রুপে দেখানো হয়েছিল। আর এটা নিয়েই রাহুল গান্ধী আবারও বেইজ্জত হয়ে যান।

রাহুলের এই ট্যুইটের পর ইউযাররা ওনাকে নিশানা করে ট্যুইট করা শুরু করে দেন। যদিও কিছু পরে রাহুল গান্ধী এই বিতর্কিত ট্যুইট ডিলিট করে দেন আর একটি নিউজ স্টোরির সাথে আরেকটি ট্যুইট করেন।

প্রয়াত হলেন নেতাজির কাছে শের-এ-হিন্দ উপাধি পাওয়া আজাদ হিন্দ ফৌজের জওয়ান শের সিং

নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose) এর আজাদ হিন্দ ফৌজ (Indian National Army) এর সৈনিক শের সিং (Sher Singh) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি নিজের পৈতৃক ভিটায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মন্ডি জেলার সরকাঘাটের পরসদা হবানি পঞ্চায়েতের ত্রিলোচন কোঠি গ্রামের বাসিন্দা শের সিং ৯৮ বছর বয়সী ছিলেন। তিনি বিগত ২ বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন, আর ওনার চিকিৎসার খরচ সরকার বহন করছিল।

মঙ্গলবার সম্পূর্ণ রাজকীয় সন্মানের সাথে ওনার শেষকৃত্য করা হয়। শের সিং ২৫ বছর বয়সেই সুভাষ চন্দ্র বসুর সেনা আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দেন। এরপর তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে রেঙ্গুন আর বার্মায় লড়াই লড়েন। উনি বাহাদুরির সাথে ইংরেজ সেনাদের সাথে লড়াই করেছিলেন। ওনার বাহাদুরি দেখে স্বয়ং নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ওনাকে শের-এ-হিন্দ উপাধি দিয়ে সন্মানিত করেন।

এরপর ওনার দল দুই বছর পর্যন্ত বার্মার ভয়ঙ্কর জঙ্গলে জীবন আর ইংরেজদের সাথে লড়াই করে। যখন তিনি যুদ্ধ শেষ করে জরাজীর্ণ অবস্থায় নিজের বাড়ি পৌঁছান, ততদিনে দেশ স্বাধীন হয়ে গেছিল। এরপর তিনি নিজের জমিতে চাষ আর সংসারের প্রতি নিজের কর্তব্য পালন করতে ব্যস্ত হয়ে যান। এরপর ভারত সরকার যখন আজাদ হিন্দ ফৌজের জওয়ানদের পেনশন প্রকল্প চালু করে, তখন তিনি সন্মানের সাথে নিজের পরিবারের ভরণ পোষণ করেন।

স্বর্গীয় শের সিং ৯৪ বছর আয়ু পর্যন্ত প্রতি বছর ১৫ই আগস্ট আর ২৬ জানুয়ারির অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। প্রশাসন দ্বারা ওনাকে সন্মানের সাথে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা আর নিয়ে যাওয়া করা হত। অনুষ্ঠানে ওনাকে বিশিষ্ট অতিথি এর সন্মান দেওয়া হত। ওনার মৃত্যুর খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ওনার শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছিল।

নিজেকে স্বচ্ছ রাখতে মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ গ্রহণে ডাকবেন না কেজরীবাল!

অরবিন্দ কেজরীবাল (Arvind Kejriwal) শপথ গ্রহণের দিনে অন্য কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করবেন না। সুত্র থেকে এই খবর পাওয়া গেছে। সুত্র অনুযায়ী, কেজরীবালের হিসেবে সবার সাথে মিলে যাওয়ার পর ওনার ব্র্যান্ডের ক্ষতি হয়েছে। আর এরজন্য তিনি এবার নিজের রাজনীতি থেকে সবাইকে আলাদা রাখতে চান। সুত্র থেকে জানা যায় যে, অরবিন্দ কেজরীবাল নিজের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অন্য কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ডাকবেন না। শুধু দিল্লীর জনতা আর দিল্লীর সাংসদদের ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

যদিও, প্রথমে শোনা যাচ্ছিল যে অরবিন্দ কেজরীবালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে কংগ্রেস আর অ-বিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ডাকা হতে পারে। কিন্তু, এবার সুত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে উনি আর এটা করবেন না। কেজরীবালের শপথ গ্রহণে শুধু দিল্লীর জনতা আর সাংসদেরা থাকবেন। আপনাদের জানিয়ে দিই, অরবিন্দ কেজরীবাল ১৬ ই ফেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন। মনীষ সিসোদিয়া (Manish Sisodia) এই ঘোষণা করেছেন।

সিসোদিয়া জানান, ১৬ই ফেব্রুয়ারির দিনে দিল্লীর নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করবে। প্রথমে এটা শোনা যাচ্ছিল যে, অরবিন্দ কেজরীবাল ১৪ই ফেব্রুয়ারির দিনে শপথ নেবেন, কারণ উনি গতবার ওই দিনেই শপথ নিয়েছিলেন আর এবার দ্বিতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু সিসোদিয়া পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, উনি ১৬ তারিখ রামলীলা ময়দানে শপথ নেবেন।

শোনা যাচ্ছে যে, এবার কেজরীবালের মন্ত্রীমণ্ডলে কিছু নতুন চেহারা আসতে পারে। দলের অনেক বরিষ্ঠ নেতা এবার বিধানসভার নির্বাচনে জিতেছেন, আর তাঁদের এবার মন্ত্রী বানানো হবে। অরবিন্দ কেজরীবাল লাগাতার তৃতীয়বার দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, প্রথমবার তিনি ২০১৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন কিন্তু কিছুদিন সরকার চলার পর উনি ইস্তফা দিয়ে দেন। এরপর তিনি আবার ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন আর সেবার তিনি পুরো পাঁচ বছর সরকার চালান। আর এবার তৃতীয়বারের জন্য তিনি দিল্লীর মসনদে বসতে চলেছেন।

দিল্লীর জনতা অলকাকে করে দিল হালকা! বোরখা পরে ভোট চেয়েছিল, কিন্তু মুসলিমরা দিল না ভোট

সারাজীবন কংগ্রেসের সেবা করেছিলেন, পরে কেজরিওয়ালের পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। কেজরিওয়ালের পার্টির সেবা করার পরেও তাকে দল থেকে বহিষ্কৃত করা হয়। তারপরে অলকা লাম্বা (Alka Lamba) পুরানো পার্টি কংগ্রেসে যোগ দিলেন, এখন দিল্লির মানুষও তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। অলকা লাম্বা এবার দিল্লিতে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে চাঁদনী চক আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। আলকা লাম্বা নির্বাচনী প্রচারের সময় মোদী এবং অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিজনক মন্তব্য করে ভোট চেয়েছিলেন।

এর সাথে সাথে লাইভ বোরখা পরা লোকদেরও কিন্তু তবুও মুসলমানরা অলকা লাম্বাকে ভোট দেয়নি বলে অনুমান করা হচ্ছে। বোরখা পরে নির্বাচনের প্রচার করার মূল অর্থ যে মুসলিম ভোটকে নিজের দিকে আকর্ষণ করা তা কারোর কাছে লুকিয়ে নেই।

কিন্তু মুসলিম সমাজ পুরো একতরফা AAP কে ভোট দিয়েছে। কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে মুসলিম সমাজ তাদের ভোটের বিভাজন করেনি। তাই কংগ্রেস প্রার্থী পদে থাকা অলকা লম্বা মুসলিমদের ভোট পাওয়া থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। বোরখা পরে মুসলিম ভোটের আশা করলেও সমস্থ ভোট একতরফা আম-আদমি-পার্টি পেয়েছে।

অন্যদিকে দিল্লীর নির্বাচনে হিন্দুদের ভোটের ব্যাপক বিভাজন হয়েছে। এমনিতেও অলকা লাম্বা মুসলিম ভোট পাওয়ার আশায় ছিল। যার জন্য আলাকা লাম্বাকে দিল্লীর জনতা অন্য রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছে। চাঁদনী চকে অলকা লম্বা মুসলিম ভোট পাওয়ার জন্য ভরপুর প্রচার চালিয়েছিল। ভোট পাওয়ার জন্য উনি বোরখা পরিধান করে মন জয়ের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ অবধি জনতা আলাকা লাম্বাকে খালি করে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে।

লোক দেখানো পাঁচ বছরের সাজা পেলো হাফিজ সইদ! টেরর ফান্ডিংয়ে অভিযুক্ত ছিল সে

পাকিস্তানের (Pakistan) আদালত জঙ্গি সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়া (Jamat-ud-Dawa) এর প্রধান হাফিজ সইদকে (Hafiz Saeed) টেরর ফান্ডিং (Terror Funding) মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছে। আদালত জঙ্গিদের প্রধান আর মুম্বাইয়ের ২৬/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সাইদকে ৫ বছরের সাজা শোনায়।

লাহোরের জঙ্গি দমন আদালতের বিচারক আরশাদ হুসেইন ভুট্টা জামাত-উদ-দাওয়া এর প্রধান হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে জঙ্গি গতিবিধির জন্য টাকা উপলব্ধ করার দুটি মামলায় গত বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত সুরক্ষিত রেখেছিল।

আধিকারিক সুত্র অনুযায়ী, অভিযোজন পক্ষ আদালতে সইদ আর তাঁর সাথীদের জঙ্গি গতিবিধির জন্য টাকা যোগান দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করার জন্য ২০ জনকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সইদকে কড়া সুরক্ষার মধ্য দিয়ে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। উনি বলেন, সাইদের আইনজীবী ৩০ জানুয়ারি নিজের সমস্ত তর্ক আর প্রমাণ পেশ করে দিয়েছিল, আর অভিযোজন পক্ষ বৃহস্পতিবার আদালতে আরও প্রমাণ এবং তর্ক পেশ করে।

উল্লেখ্য, সাইদের বিরুদ্ধে পাঞ্জাবের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আদালত বিভাগ লাহোর আর গুঞ্জরবালায় একটি করা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০১২ সালে আমেরিকা সইদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করে তাঁর মাথার দাম এক কোটি ডলার ঘোষণা করেছিল। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বাই হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল এই হাফিজ সইদ।

স্বদেশী প্রযুক্তিতে ভারতেই তৈরি হচ্ছে রাফাল বিমানের পার্টস, অ্যাসেম্বলিং এর জন্য পাঠানো হবে ফ্রান্সে

ভারতে (India) রাফাল (Rafale) বিমানের পার্টস বানানোর কাজ শুরু হল নাগপুরে। অনিল আম্বানির রিলায়েন্স ডিফেন্স এবং ফ্রেঞ্চ দ্যসল্ট (Dassault) এভিয়েশন এর সংযুক্ত প্লান্টে এই কাজ শুরু হয়েছে। সেখানে রাফাল জেটের জন্য টুইন ইঞ্জিনকে কভার করার জন্য দরজা বানানো হচ্ছে।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ৩০ হাজার কোটি টাকার ৩৬ রাফাল বিমান কেনার চুক্তিতে রিলায়েন্স ডিফেন্সকে অফসেট কন্ট্রাক্ট এর তিন শতাংশ অংশীদারি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বিমানের অনেক ছোট ছোট পার্টস বানাচ্ছে। এই পার্টস গুলোকে অ্যাসেম্বেল করার জন্য ফ্রান্সের দ্যসল্ট এভিয়েশন এর কাছে পাঠানো হবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৫ সাএ ঘোষণা করেছিলেন যে, ভারত ফ্রেঞ্চ বিমান নির্মাতা কোম্পানি থেকে ৩৬ টি রাফাল বিমান কিনবে। এরপর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারত ৭.৮৭ বিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৫৮ হাজার কোটি টাকা) দিয়ে রাফাল বিমান কেনার জন্য ফ্রান্সের সরকারের সাথে চুক্তি করে।

রাফাল একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান। যেই বিমান ভারতের বায়ুসেনার শক্তি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে। ভারতের প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান বলেছিলেন যে, বালাকোট হামলার সময় আর পাকিস্তান যখন ভারতের সীমা অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে পড়েছিল, তখন রাফাল থাকলে পরিস্থিতি আলাদা হত। এই বিমান ভারতের বায়ুসেনাতে নিযুক্ত হওয়ার পর বায়ুসেনার শক্তি যে অপ্রত্যাশিত ভাবে বেড়ে যাবে, সেটা বলাই বাহুল্য।

Design a site like this with WordPress.com
Get started