CAA এর কারণে দিল্লীর নির্বাচনে হারবে বিজেপি! দাবি PAK মন্ত্রীর

দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল আগামীকাল ১১ই ফেব্রুয়ারি ঘোষণা হবে। কিন্তু তাঁর আগে এক্সিট পোলের অনুমান দেখে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান খুশিতে গদগদ। আর এর সবথেকে বড় কারণ হল, এক্সিট পোলের অনুমান অনুযায়ী দিল্লীতে বিজেপি হারছে। পাকিস্তানের সরকারে মন্ত্রী এক্সিট পোলের এই অনুমান দেখে খুবই উৎসাহিত।

পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বারা আনা নাগরিকতা সংশোধন আইনের কারণে বিজেপির দিল্লীর বিধানসভা নির্বাচনে হারের মুখোমুখি হচ্ছে।

ফাউন্ডেশন অফ পাকিস্তান চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। উনি বলেন, ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর বিজেপি তিন রাজ্যের বিধানসভায় হারের মুখ দেখেছে। উনি বলেন, ‘যতদূর দিল্লীর নির্বাচনের কথা হচ্ছে, ফলাফল মঙ্গলবার ঘোষণা হবে, আর সেখানে বিজেপির বড় সমস্যার সন্মুখিন হতে চলেছে। বিজেপি আরেকটি বিধানসভায় হারের মুখ দেখবে।”

ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের প্রচার দুনিয়ায় সাফল্য না পাওয়ার বিষয়ে উনি বলেন, ‘অনেক দেশ মনে করে ভারত একটি বড় মার্কেট। আর এরজন্য তাঁরা নিজেদের আর্থিক দিক ঠিক রাখতে ভারতের বিরুদ্ধে যায়নি। সবাই নৈতিকতা আর সত্যের কথা বলে, কিন্তু সবাই এসব ভুলে নিজের স্বার্থে কাজ করে।

৩৭০, তিন তালাক আর রাম মন্দিরের পর এবার গোটা দেশে বোরখা নিষিদ্ধ করার দাবি বিজেপির!

আলীগড় থেকে যোগী সরকারের (Yogi Sarkar) মন্ত্রী রঘুরাজ সিং (Raghuraj Singh) লাগাতার বিতর্কিত বয়ান দিয়ে শিরোনামে উঠে আসেন। এর আগে তিনি আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির (Aligarh Muslim University) ছাত্রদের জ্যান্ত কবর দেওয়ার কথা বলে বিতর্ক সৃষ্টি করে, এবার তিনি মুসলিম মহিলা দ্বারা পড়া বোরখা (Burqa) নিয়ে বিতর্কিত বয়ান দেন। উনি বলেন, শ্রীলঙ্কা সমেত অনেক দেশই বোরখা পড়া নিষিদ্ধ করেছে। এরজন্য আমাদের দেশেও বোরখা পড়া নিষিদ্ধ হোক। কারণ বোরখা পড়া নিষিদ্ধ হলেই সন্ত্রাসবাদে লাগাম লাগানো যেতে পারে।

উনি বলেন, ব্যাংকে বোরখা পড়ে গেলে সিসিটিভিতে আপনাকে দেখা যাবেনা। আপনার চেহারা লুকিয়ে থাকবে। শাহিনবাগে সবাই বোরখা পড়ে বসে আছে। বোরখা এক প্রকারে মানুষকে আড়াল করতে সাহায্য করে। জঙ্গি আর দুষ্কৃতীরা বোরখার আড়ালে অনেক কিছু করে। এরজন্য বোরখা ব্যান হওয়া দরকার।

উনি বলেন, দেশে প্রধানমন্ত্রী মোদী আর উত্তর প্রদেশে যোগী সরকার আছে। আর এই জন্য আমি আবেদন করছি যে, বোরখা ব্যান করা উচিৎ। বোরখা ব্যান হলেই সন্ত্রাসবাদে লাগাম লাগানো সম্ভব হবে। কারণ জঙ্গিরা মহিলাদেশে বেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর কাজ করে। গতকাল ব্রাহ্মণ মহাসভার একটি অনুষ্ঠানে উনি এই কথা বলেন। উনি বলেন, আপনারা জানেন বোরখা কথা থেকে এসেছে? এটা আরব থেকে এসেছে।

উনি ত্রেতা যুগের উদাহরণ দিয়ে বলেন, লক্ষণজির সময় সুপর্ণখার নাক কান কেটে দেওয়া হয়েছিল, আর সে আরবে চলে গেছিল। সেখানে সে নিজের চোখ খোলা রেখে মুখ ঢেকে রাখত। এরপর থেকেই বোরখার চলন শুরু হয়।

বিরোধিতার জন্য রাস্তা বন্ধ করা অবৈধ! শাহিনবাগ নিয়ে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

নাগরিকতা আইনের (CAA) বিরুদ্ধে রাজধানী দিল্লীর শাহিনবাগ (Shaheen Bagh) এলাকায় বিগত দুই মাস ধরে ধরনা প্রদর্শন চলছে। আর এবার এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট (supreme court) কড়া বার্তা দেয়। আদালত জানিয়েছে যে, যেকোন বিরোধ প্রদর্শনের জন্য এমন ভাবে রাস্তা ব্লক করা যায়না। উল্লেখ্য, শাহিনবাদে দুই মাস ধরে চলা নাগরিকতা আইনের বিরুদ্ধে ধরনায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমস্যা হচ্ছে।

কারণ এই প্রদর্শনের জন্য দিল্লীকে নয়ডার সাথে যুক্ত করা প্রধান সড়ক সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে রয়েছে। কিছুদিন আগে শাহিনবাগ এলাকার মানুষেরা এই ধরনা প্রদর্শনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন। এছাড়াও সুপ্রিম কোর্টে এই ধরনা প্রদর্শনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত এই ইস্যুতে দিল্লী পুলিশ, রাজ্য সরকার আর কেন্দ্র সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে। এই মামলায় শুনানি আগামী ১৭ই ফেব্রুয়ারি করা হবে।

যদিও সুপ্রিম কোর্ট এই ধরনা প্রদর্শন তুলে দেওয়ার জন্য কোন নির্দেশ জারি করেনি। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, দুই পক্ষের কথা শোনার পরেই নির্দেশ দেওয়া হবে। এছাড়াও কড়া মনোভাব দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, কোন ধরনা আর বিরোধ প্রদর্শনের জন্য এমন ভাবে রোড ব্লক করা যায়না।

বিচারক কৌল আর বিচারক কেএম জোসেফ এর বেঞ্চ জানায়, ‘একটি আইন আছে, আর মানুষের সেটির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। মামলা আদালতে চলছে। এরপরেও কিছু মানুষ রাস্তা আটকে প্রদর্শন করে চলছে। তাঁদের কাছে প্রদর্শন করার অধিকার আছে।” বেঞ্চ জানায়, ‘আপনি প্রদর্শনের নামে রাস্তা আটকে রাখতে পারেন না। রাস্তা আটকে অনিশ্চিত কাল পর্যন্ত প্রদর্শন করতে পারেন না। যদি আপনি প্রদর্শন করতেই চান, তাহলে সেটার জন্য নির্দিষ্ট স্থান আছে।”

২০০ কিমি দূরে থাকা শত্রুদের ধ্বংস করতে সক্ষম প্রণাশ মিসাইল, আরও উন্নত করছে DRDO

ভারতের স্থল আর বায়ুসেনার মারক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) প্রণাশ মিসাইলকে (pranash missile) আরও উন্নত করছে।

২০০ কিমি রেঞ্জের এই ট্যাকটিক্যাল ব্যালেস্টিক মিসাইলকে পরম্পরাগত ওয়ারহেড এর সাথে যুক্ত করা হবে। এই মিসাইলের ব্যবহার কোন সামরিক আর রণনৈতিক লক্ষ্যকে ধ্বংস করার জন্য ব্যবহার করা হবে।

প্রণাশ মিসাইলে প্রহার মিসাইলের আধুনিক রুপ। প্রহারের ক্ষমতা ১৫০ কিমি পর্যন্ত শত্রুকে ধ্বংস করতে সক্ষম। এই মিসাইলকেও ট্যাকটিক্যাল মিশনের জন্য DRDO দ্বারা বিকশিত করা হচ্ছে। এছাড়াও জমি থেকে জমিতে লক্ষ্য ভেদ করার জন্য বিশেষ প্রকারের জ্বালানি ব্যবহার করা হচ্ছে।

আগামী দুই বছরে প্রণাশের ট্রায়াল শুরু করা হবে। এই সময় সিঙ্গেল রেঞ্জ স্টেজ সলিড প্রোপলেন্ট ফর্মুলাকে বিদেশে বিক্রি করার জন্য উপলব্ধ করানো হবে। এই মিসাইলের রেঞ্জ বিক্রি করার জন্য আন্তর্জাতিক নিয়ম মানা হবে।

মন্দির, মসজিদের লাউডস্পিকার ব্যাবহৃত হবে সরকারি কাজের প্রচারের জন্য, UP তে লাগু নতুন নিয়ম

সাধারণত মন্দির মসজিদের লাউড স্পিকার ধর্মীয় কর্মসূচীতে ব্যাবহৃত হয়। তবে এবার যোগী সরকার মন্দির মসজিদের লাউড স্পিকার জনগণের সেবায় আরো ভালোভাবে নিয়োজিত করার সিধান্ত নিয়েছেন। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মন্দির,মসজিদের লাউড স্পীকারের থেকে এবার সরকারি ঘোষণাও শোনা যাবে। UP তে লাউডস্পিকার চালানো নিয়ে বহুবার অনেক দ্বন্দ হয়েছে। তবে এবার লাউডস্পিকারকে নতুন ভাবে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। মন্দির হোক বা মসজিদ সমস্থ ধার্মিক কেন্দ্রের লাউডস্পিকারকে জনসেবায় লাগানোর সিধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

এই প্রকল্পটি পরিকল্পনা করেছে পাশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুত বিতরণ নিগম লিমিটেড (PVVNL)। পশ্চিম উত্তর প্রদেশের ১৪ টি জেলা যেগুলি প্যাসিচঞ্চল বিদ্যুত বিতান নিগম লিমিটেডের (পিভিভিএনএল) অধীনে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে মীরট, বাগপাট, গাজিয়াবাদ, বুলান্দশহর, হাপুর, গৌতম বুধনগর, সাহারানপুর, মুজাফফরনগর, শমলি, মোরদাবাদ, সাম্ভর, রামপুর ও বিরাজ।

১৪ টি জেলায় খুব শীঘ্রই প্রকল্পগুলি লাগু করা হবে। এই জেলাগুলিতে বিদ্যুৎ বিভাগের সমস্থ তথ্য জানাতে ব্যাবহার করা হবে। টিউবওয়েল প্রকল্পের পাশাপাশি চলমান অন্যান্য প্রকল্পের তথ্য মন্দির মসজিদের লাউডস্পিকারের মাধ্যমে জানানো হবে। এছাড়াও কৃষকদের কিছু প্রকল্পও মন্দির মসজিদের মাধ্যমে জানানো হবে।

Yogi Adityanath

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, প্রাচীন সময়ে ভারতে মন্দির নানা সামাজিক কাজে ব্যাবহৃত হতো। কিছু মন্দিরে শিক্ষা দেওয়ার কাজ হতো আবার কিছু মন্দির সমাজের পরিচালনার জন্য কাজ করতো। কিন্তু বিদেশী আক্রমনের পর থেকে ধীরে ধীরে পুরো সিস্টেম ভেঙে পড়েছে। এখন পুনরায় UP তে মন্দির ও মসজিদের লাউডস্পিকারের উপর এই সিধান্ত শুনে অনেকেই খুশি ব্যাক্ত করেছেন।

কাগজ দেখাবো না! কেউ কাগজ চাইলে বুক এগিয়ে দিয়ে বলব গুলি মার! মোদীকে আক্রমণ ওয়াইসির

নাগরিকতা সংশোধন আইন (CAA) নিয়ে বিরোধ আর সমর্থন চলছে গোটা দেশে। আর এই আইন নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নেতাদের বয়ানবাজি সফর জারি আছে। আর এরই মধ্যে এআইএমআইএম (AIMIM) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি (Asaduddin Owaisi) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) আক্রমণ করেন।

ওয়াইসি বলেন, মোদী-শাহ এর বিরুদ্ধে যে আওয়াজ তুলবে তাঁকে মর্দ-ই-মুজাহিদ বলা হবে। আমি দেশেই থাকব, কাগজ দেখাব না। কাগজ যদি দেখানোর কথা হয়, তাহলে আমি আমার ছাতি দেখিয়ে বলব গুলি মার। মনে গুলি মারুক ওঁরা, কারণ ওই মনে ভারতের জন্য ভালোবাসা আছে।

ওয়াইসি এর আগেও সিএএ আর এনআরসি নিয়ে মোদী সরকারের উপর আক্রমণ করেন। কিছুদিন আগে ওয়াইসিকে বৈষম্যমূলক আইন বলেছিলেন। উনি বলেছিলেন, এই আইন মুসলিমদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করবে। কিছু দিন আগে ওয়াইসি ট্যুইট করে লিখেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদী কার্যালয় জানিয়েছে সিএএ কোন ভারতীয় নাগরিকের সমস্যা করবে না। কিন্তু আমি বলছি, এই আইনের ব্যবহার অ-মুসলিমদের জেল থেকে বের করার জন্য করা হবে আর তাঁদের সমস্ত মামলা বন্ধ করে দেওয়া হবে। কিন্তু মুসলিমদের জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে।”

আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ছয় ফেব্রুয়ারি আশঙ্কা জাহির করে বলেছিলেন যে, দিল্লীর নির্বাচন শেষ হলেই শাহিনবাগকে জালিওয়ানাবাগ বানিয়ে দেবে বিজেপি। দিল্লীর শাহিনবাগে প্রায় দুই মাস ধরে নাগরিকতা সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে ধরনায় বসছেন মুসলিম মহিলারা।

দেশ ভাগ না হলে মুসলিম লীগ ভারতে আরও হিন্দুদের হত্যা করত! বললেন কংগ্রেস আমলের বিদেশ মন্ত্রী নটবর সিং

প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী নটবর সিং (natwar singh) বলেন, উনি দেশ ভাগ হয়েছিল সেটাতে খুশি। উনি রবিবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেন, ‘আমি খুশি যে, ভারত ভাগ হয়েছিল। যদি ভারত ভাগ না হত, তাহলে মুসলিম লিগ (Muslim League) দেশ চালাতে দিত না।” নটবর সিং রাজ্যসভার সাংসদ এমজে আকবর (MJ Akbar) এর নতুন পুস্তক ‘গান্ধী হিন্দুইজমঃ দ্য স্ট্রাগল এগেইন্সট জিন্নাহ ইসলাম” এর লঞ্চিংয়ে এই কথা বলেন। এই পুস্তকের লঞ্চিং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী নিজের নিবাসে করেন।

নটবর সিং বলেন, ‘আমার হিসেবে আমি খুব খুশি যে ভারতের ভাগ হয়েছিল। কারণ ভারত ভাগ না হলে, আমাদের অকেন ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে দেখতে হত। আমরা এটা প্রথম জিন্নাহর জীবদ্দশায় ১৬ই আগস্ট ১৯৪৬ সালে দেখেছিলাম।”

উনি বলেন, ‘সেই সময় কলকাতায় হাজার হাজার হিন্দুদের মেরে ফেলা হয়েছিল। আর সেটির প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিহারে মুসলিমদের মারা হয়েছিল।” উনি বলেন, ‘দেশ ভাগের পিছনে সবথেকে বড় কারণ হল, মুসলিম লিগ দেশকে সঠিক ভাবে চালাতে দিত না।”

কি এই ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে?  মোহম্মদ আলী জিন্নাহ এর নেতৃত্বে মুসলিমদের জন্য আলাদা দেশের দাবি শুরু হয়। ১৬ই আগস্ট ১৯৪৬ সালে এই দাবি নিয়েই কলকাতায় দাঙ্গা শুরু হয়েছিল। এই দাঙ্গায় কলকাতায় হাজার হাজার হিন্দুকে মেরে ফেলা হয়েছিল। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি হাত ছিল মুসলিম লীগের। এই নরসংহারের ঘটনাকে ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে নামে জানা যায়।

বাংলাদেশিদের নাগরিকতা দিলে অর্ধেক বাংলাদেশী ভারতে পালিয়ে আসবেঃ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি (G. Kishan Reddy) রবিবার সন্ত রবিদাস জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখান থেকে তিনি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে. চন্দ্রশেখর রাওকে (K. Chandrashekar Rao) চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, নাগরিকতা সংশোধন আইন ভারতের ১৩০ কোটি জনতার বিরুদ্ধে প্রমাণ করুক তিনি।

জি কিষাণ রেড্ডি বলেন, যদি বাংলাদেশের (Bangladesh) নাগরিকদের ভারতীয় নাগরিকতা দেওয়া হয়, তাহলে অর্ধেক বাংলাদেশ খালি হয়ে যাবে। উনি বলেন, ‘যদি বাংলাদেশিদের ভারতীয় নাগরিকতা দেওয়া হয়, তাহলে অর্ধেক বাংলাদের ফাঁকা হয়ে যাবে। যদি ওদের নাগরিকতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, থাওলে অর্ধেক বাংলাদেশি ভারতে চলে আসবে। এর দায়িত্ব কে নেবে? কেসিআর? না রাহুল গান্ধী?”

বিরোধীদের উপর হামলা করে রেড্ডি বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা নাগরিকতা চাইছে। উনি বলেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ, পাকিস্তান আর আফগানিস্তান থেকে আসা মুসলিমদের নাগরিকতা দেওয়ার দাবি করছে। ভারত সরকার সিএএ নিয়ে সমীক্ষা করার জন্য প্রস্তুত।

তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি (টিআরএস) আর তাঁদের সহযোগী দল এআইএমআইএম-কে নিশানা করে রেড্ডি বলেন, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করছে।

করোনাভাইরাস নিয়ে হাহাকার চীনে! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বললেন, আমরা করব সাহায্য

করোনাভাইরাসের (coronavirus) কারণে গোটা চীনে (China) হাহাকার। এছাড়াও আতঙ্কে ভুগছে গোটা বিশ্ব। আর এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং আর চীনের মানুষদের কাছে এক হওয়ার বার্তা দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চীনের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ভারতের তরফ থেকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মৃতদের প্রতি শোক ব্যাক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুহান প্রান্ত থেকে ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষিত বের করার জন্য চীনের সরকারের তরফ থেকে করা সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চীনে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৮১১ হয়ে গেছে। আর আক্রান্তদের সংখ্যা ৩৭ হাজার পার করেছে। চীনের প্রশাসন রবিবার এই তথ্য দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া অনুযায়ী, চীনের স্বাস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে তাঁরা, ৩১ তি প্রান্তীয় স্তর আর শিনজিয়াং প্রোডাকশন অ্যান্ড কন্সট্রাকশন কর্প থেকে শনিবার সংক্রমণের ২৬৫৬ তি নতুন মামলা আর ৮৯ টি মৃত্যুর খবর পেয়েছে।

সিনহুয়া চীনের রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ আয়োগের সুত্র থেকে খবর নিয়ে জানিয়েছে যে, ওই ৮৯ জনের মধ্যে ৮১ জনের মৃত্যু হুবেই প্রান্তে হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, শনিবার ৩৯১৬ টি নতুন করে সন্দেহভাজন মামলা সামনে এসেছে।

শনিবার ৮৭ জন রুগি গুরুতর ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন, আর ৬০০ জন ঠিক থাকার কারণে তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। চীনে করোনাভাইরাসে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা শনিবার পর্যন্ত ৩৭,১৯৮ পর্যন্ত পৌঁছেছে। কমিশন জানিয়েছে, এই ভাইরাসে মোট ৮১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Exit Poll এর পরেও নাখুশি আপ! ‘ডাল মে কুছ কালা হেয়” বলছেন কেজরীবালের মন্ত্রী

দিল্লী বিধানসভার নির্বাচন (Delhi Election) সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকায় সন্তুষ্ট নয় দিল্লীর শাসক দল আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party)। কারণ ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেও নির্বাচন কমিশন এখনো স্পষ্ট করেনি যে দিল্লীতে কত শতাংশ ভোট পড়েছে। আর এই ইস্যু নিয়ে আপ ক্ষোভ প্রকাশ কএরছে। রবিবার আপের তরফ থেকে প্রেস কনফারেন্স করে আপ নেতা সঞ্জয় সিং ইভিএম এর সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সঞ্জয় সিং নির্বাচন কমিশনের উপর অভিযোগ এনে বলেন, ডাল মে কুছ কালা হেয়। অন্য কোন ষড়যন্ত্র চলছে। ২৪ ঘণ্টার পরেও ভোটের পরিসংখ্যান জারি করা হয়নি। নির্বাচন কমিশন এটা বলার জন্য প্রস্তুত না যে, কত শতাংশ ভোটিং হয়েছে। উনি বলেন, দিল্লীতে শুধু ৭০ টা আসন রেয়েছে, কিন্তু নির্বাচন এখনো ভোটিং শতাংশ জারি করেনি। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করুক যে, এত দেরি কেন?

সঞ্জয় সিং এর অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশন জবাব দিয়েছে যে, সবার আগে পোলিং বুথের থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট আসে। কমিশন সমস্ত তথ্য হাসিল করে পরিসংখ্যান জারি করে। কমিশন বলেছে, দিল্লীতে ১৩ হাজারটি পোলিং স্টেশন আছে, এরজন্য এত দেরি হচ্ছে।

আরেকদিকে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল কমিশনের উপর অভিযোগের স্টাইলে ট্যুইট করে বলেন, এটা খুবই আশ্চর্য জনক ঘটনা। কমিশন কি করছে? ভোটিং প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার এত পরেও কমিশন কেন পরিসংখ্যান জারি করতে পারল না?

Design a site like this with WordPress.com
Get started