দেশে সংস্কৃত ভাষার উত্থানের জন্য কাজ করছেন এই যুবক! আধুনিক যুগে ভাষাকে বাঁচানোর জন্য করছেন অত্যাধুনিক কাজ

ভারতবর্ষ স্বাধীন হলেও দেশের সমাজ এখনও ভাষা, পোশাক ইত্যাদি কিছু দিক থেকে পরাধীন হয়ে রয়েছে। ভাষার অবস্থা এমন যে এখন দেশে নিজের ভাষার থেকে বিদেশী ভাষা ইংরেজির গুরুত্ব বেশি। ভারতের (India) গর্ব হিসেবে পরিচিত সংস্কৃত ভাষা (Sanskrit) তো প্রায় লুপ্ত হওয়ার পথে। তবে বর্তমানের যুব সমাজের একাংশ সংস্কৃত ভাষার পুনরুত্থানের জন্য সমস্ত শক্তি দিয়ে নেমে পড়েছে। এর মধ্যে এক এক যুবকের নাম বেশ চর্চায় আসছে যিনি সংস্কৃত ভাষাকে এক অন্যরূপে পেশ করছেন যাতে সংস্কৃত ভাষার প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই যুবকের নাম হলো সুশান্ত রত্নাপারখী, যিনি মুম্বাইতে বসবাস করেন। ইনি সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে সংস্কৃত ভাষার উত্থানে নেমে পড়েছেন। ইনি রি-সংস্কৃত নামের একটা ওয়েবসাইট খুলেছেন। সাথে একটা ইন্সট্রাগ্রাম পেজও চালান। ইনস্টাগ্রামের পেজে সুশান্ত সংস্কৃত ভাষায় লেখা সুবিচার পোস্ট করেন। সে ক্ষেত্রে পেজে মানুষের একটা ইতিবাচক পতিক্রিয়া পাওয়া যায়। সুশান্ত এর কাজ মানুষজন খুবই পছন্দ করেন। ওই পেজে ১ লক্ষ ৭০ হাজারেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছেন। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, পেজটির কোনো পেড প্রমোশন করা হয়নি। মানুষজন সাধারণ আকর্ষণেই পেজটিকে পছন্দ করেছেন। এছাড়াও ওয়েবসাইটেও সুশান্ত সংস্কৃত ভাষার প্রমোটের একটা ভালো রাস্তা বের করেছেন।

ওয়েবসাইটের মধ্যে সুশান্ত ই-কমার্স এর মতো করে বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করেন যাতে সংস্কৃত ভাষার প্রচার করা হয়। টি-শার্ট, ফোন কভার বিক্রি করলেও সেখানে সংস্কৃত ভাষাকে প্রমোট করা হয়। বাণিজ্যিক দিক থেকে বিষয়টিকে না দেখলে এটা যে দেশের গর্বকে বাঁচিয়ে রাখার একটা বড়ো প্রচেষ্টা তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। রি-সংস্কৃত ওয়েবসাইটে প্রতিমাসে ১ লক্ষ মানুষ ভিজিট করেন বলে জানিয়েছেন সুশান্ত। উনি বলেছেন, আগামী সময়ে উনি সংস্কৃত ভাষার জন্য আরো কাজ করবেন। অন্যদিকে দেশের মানুষ এই কাজেটিকে বেশ পছন্দসহকারে নিচ্ছেন। যার কারণে উনি কাজের প্রতি ভালো উৎসাহও পাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, রামায়ণ, মহাভারতের সময়কাল থেকে ভারতে সংস্কৃত ভাষার প্রচলন সম্পর্কে শোনা যায়। বর্তমানে ভারতে যত ভাষার প্রচলন রয়েছে প্রত্যেকটি সংস্কৃতি ভাষা থেকেই এসেছে। এই কারণেই সংস্কৃত ভাষাকে অনেকে সমস্থ ভাষার জননী বলে থাকে। সংস্কৃত ভাষার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভাষাটির প্রাচীন হওয়ার সাথে সাথে বেশ প্রভাবশালী। বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী, একজন নিয়মিত সংস্কৃত পড়ুয়ার মস্তিষ্কের শক্তি অন্য যেকোনো ভাষী পড়ুয়ার থেকে অবশ্যই বেশি হবে। তবে বিড়ম্বনা এই যে, ভারতে এখন সংস্কৃতি ভাষার ব্যাবহার শুধুমাত্র ভারতের পূঁজা অর্চনা, বিয়ে ইত্যাদি কিছু আনুষ্ঠানিক কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েগেছে

Defence Expo: ৫০ হাজার কোটি টাকার ২৩ টি MoU সই করল যোগী সরকার, চাকরি পাবে ৩ লক্ষ বেকার

উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) রাজধানী লখনউতে আয়োজিত ডিফেন্স এক্সপো (Defence Expo) ২০২০ এর অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অংশ নেন। সেখানে তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয় MoU এর অনুষ্ঠানকে বন্ধন নাম দিয়ে আবেগপ্রবণ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, শুধুমাত্র উত্তর প্রদেশের সরকারের সাথে ৫০ হাজার কোটি টাকার ২৩ টি MoU স্বাক্ষর হয়েছে। এই MoU স্বাক্ষরের কারণে রাজ্যের ৩ লক্ষ যুবক রোজগার পাবে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবনার অনুরুপে প্রতিরক্ষা উৎপাদন, গবেষণা আর উন্নয়নের জন্য এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, এই অনুষ্ঠানে স্টেট পার্টনার হয়ে উত্তর প্রদেশ দেশ আর বিশ্বের সামনে নতুন সম্ভাবনার বিষয়ে অবগত করিয়েছে। বিগত দুই বছরে আমরা ডিফেন্স করিডোরের সাথে যুক্ত বিভিন্ন প্রকার অনুষ্ঠান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সাথে করার চেষ্টা করেছি। আর এই আক্রনে প্রতিরক্ষা উৎপাদন এর বড় শিল্প, মাঝারি এবং খুদ্র শিল্পও উত্তর প্রদেশে গড়ে উঠেছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, উত্তর প্রদেশে আমরা শুধু ডিফেন্স এরোস্পেস এর পলিসি তৈরি করিনি, আমরা উত্তর প্রদেশে আলাদা আলাদা ফোকাস সেন্টার্স এর পলিসি তৈরি করে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়িয়েছি। বিগত আড়াই বছরে আমাদের সরকার রাজ্যে আড়াই লক্ষ কোটি টাকার উপড়ে বিনিয়োগ আনতে সফল হয়েছে। আর এর ফলে ৩৩ লক্ষের বেশি মানুষকে চাকরি আর রোজগারের সাথে যুক্ত করতে সফল হয়েছি আমরা।

বিজেপির আতঙ্কে ভুগছে তৃণমূল! আর সেটাকেই হাতিয়ার করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির

আসন্ন পুরসভার নির্বাচনে কোথাও মেয়র পদপ্রার্থী ঘোষণা করবে না। পুরনির্বাচনে গঠন করা কমিটির বৈঠকে এমনই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজেপি (BJP) নেতাদের অনুযায়ী, বিজেপির আতঙ্কে ভুগছে তৃণমূল (TMC)। বিজেপির নেতারা জানান, তৃণমূলের এই আতঙ্কই কাজে লাগাবে গেরুয়া শিবির।

আরেকদিকে পুরভোটের আগে কমিটি গঠন করেছে বিজেপি। ওই কমিটিতে বিজেপির নেতা মুকুল রায়ের (Mukul Roy) উপর আস্থা রেখে ওনাকেই আহ্বায়ক করা হয়েছে। মুকুল রায়ের সাথে সহ-আহ্বায়ক হিসেবে থাকবেন সঞ্জয় সিং। গতকাল সিএএ এর সমর্থনে বিজেপির অভিনন্দন যাত্রায় বিজেপির নেতা মুকুল রায় আর কৈলাস বিজয়বর্গিয় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর আক্রমনাত্বক হয়েছে বিজেপি।

মুকুল রায় আর কৈলাসকে আটক করার পর, ওনাদের অনুপস্থিতিতেই শুরু হয় বিজেপির বৈঠক। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, প্রতিটি পুরসভায় আলাদা করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি তৈরি করা হবে। বিজেপির ওই বৈঠকে এমনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, জেতার সম্ভাবনা যার বেশি তাকেই টিকিট দেওয়া হবে।

আরেকদিকে, বিজেপির নেতাদের এখন সবথেকে বড় আশঙ্কা হল যে, রাজ্যে সমস্ত পুরসভার নির্বাচন করার ঝুকি নেবেন কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী?

Delhi Election: ভোটিং শুরু হওয়ার আগে বিতর্কিত ট্যুইট কেজরীবালের! রেগে লাল দিল্লীর মহিলারা

দেশের রাজধানী দিল্লীতে আজ ৭০ টি আসনে ভোট প্রক্রিয়া (Delhi Election) শুরু হয়েছে। আরেকদিকে ভোট শুরু হওয়ার আগেই দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের (Arvind Kejriwal) ট্যুইট নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কেজরীবাল ট্যুইট করে লেখেন, দিল্লীর মহিলারা বাড়ির পুরুষদের পরামর্শ নিক আজ কাকে ভোট দিতে হবে।

ভোটিং শুরু হতেই কেজরীবাল ট্যুইট করেন, ‘সমস্ত মহিলাদের কাছে আমার বিনিত অনুরোধ – যেমন ভাবে আপনারা বাড়ির দায়িত্ব পালন করছেন, তেমন ভাবেই দেশ আর দিল্লীর দায়িত্ব আপনাদের আধে। আপনারা সবাই ভোট দিতে অবশ্যই যান আর ঘরের পুরুষদেরও নিয়ে যান। পুরুষদের পরামর্শ নিন কাকে ভোট দিতে হবে।” ওনার এই ট্যুইটের পর দিল্লীর মহিলারা প্রতিক্রিয়া দেওয়া শুরু করেছেন।

অ্যাডভোকেট কেশব নাগল লিখেছেন, ‘আপনি এটা বলতে চাইছেন যে, মহিলারা জানেনা যে কাকে ভোট দেবে? তাঁরা সব কাজ তাঁর স্বামীকে জিজ্ঞাসা করে করবে।” আরেকদিকে কাজল সিং নামের একজন লিখেছেন, ‘মহিলারা ঠিক করে নিয়েছেন, নির্ভয়ার দোষীকে সেলাই ম্যাশিন আর ১০ হাজার টাকা যে দিয়েছে তাঁকে ভোট দেবে না।”

আরেকজন লেখেন, ‘মহিলাদের মাথায় কি বুদ্ধি নেই? তাঁরা নিজের নির্ণয় নিয়ে কি ভোট করতে পারবে না? এটা কি মহিলাদের অপমান না?”

আপনাদের জানিয়ে দিই, দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আজ ৭০ টি আসনে ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে। দিল্লীতে ১.৪৭ কোটি ভোটার আছে। আর তাঁরা আজ সবাই তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন। দেশের রাজধানী দিল্লীতে শান্তিপূর্ণ ভোটদানের জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দিল্লী পুলিশ, হোমগার্ড সমেত ৭৫ হাজার আধাসামনরিক বাহিনীর জওয়ানেরা দিল্লীর কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়েছেন। ২০১৫ এর বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টি দিল্লীতে ৬৭ টি আসন পেয়েছিল। আর বিজেপি পেয়েছিল ৩ টি আসন। কংগ্রেসের হাত ছিল শুন্য। এবার দেখার বিষয় হল যে, দিল্লীতে এবার কারা সরকার গঠন করে।

আরও একটি জেলার নাম বদলাতে চলেছে যোগী সরকার, নতুন নাম রাখা হবে ‘মহর্ষি বশিষ্ঠ” এর নামে

আরও একটি জেলার নাম বদল করতে চলেছে যোগী সরকার (Yogi Sarkar)। মুঘলসরাই, ইলাহাবাদ আর ফৈজাবাদের পর এবার যোগী সরকার বস্তি জেলার নাম বদলাতে চলেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বস্তি জেলাকে (Basti District) বশিষ্ঠ নগর (vashishtha nagar) নাম করার প্রস্তাবে বিচার করা হচ্ছে।

বস্তির জেলা শাসকের রিপোর্টের পর রাজস্ব পরিষদ প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। জেলার নাম বদলানর জন্য জেলাধিকারি কাছ থেকে এক কোটি টাকার খরচের রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। খরচের রিপোর্ট আসার পর প্রশাসন দ্বারা প্রস্তাব প্রস্তুত করা হবে।

আপনাদের জানিয়ে দিই, বিজেপির স্থানীয় সাংসদ আর বিধায়ক বস্তির নাম বদলানোর দাবি করেছিল। আরেকদিকে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বস্তি মেডিকেল কলেজের নাম মহর্ষি বশিষ্ঠ এর নামে রাখার কথা ঘোষণা করেছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে যোগী সরকার মুঘলসরাই জেলার নাম বদলে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় নগর, ইলাহাবাদের নাম বদলে প্রয়াগরাজ আর ফৈজাবাদের নাম বদলে অযোধ্যা করে দিয়েছে।

CAA- শাহিনবাগে বাজবে সানাই! প্রদর্শন করতে করতে হয়ে গেছিল প্রেম

নাগরিকতা সংশোধন আইন (CAA) আর এনআরসি (NRC) এর বিরুদ্ধে শাহিনবাগ (Shaheen Bagh) শুধু দেশেই না, গোটা বিশ্বে চর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এবার শাহিনবাগ থেকে খবর আসছে যে, আসন্ন ভ্যালেন্টাইন ডে-তে শাহিনবাগে শুভ পরিণয় সম্পন্ন হবে। উল্লেখ্য, সিএএ এর বিরুদ্ধে প্রদর্শনের কেন্দ্র হয়ে ওঠা শাহিনবাগ কিছু যুবদের মনে ভালোবাসা জাগিয়ে তুলেছে। শুধু তাই নয়, প্রদর্শন করতে করতে যেই যুগল একে অপরের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিল, এবার তাঁরা বিয়েও করতে চলেছে।

জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jamia Millia Islamia) ছাত্ররা  ১৫ ডিসেম্বর দিল্লীর জামিয়া এলাকায় হিংসাত্মক প্রদর্শন করেছিল। আর তারপর পুলিশ জামিয়ার ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রদের মারধর করে। এরপর বিগত ৫৪ দিন ধরে শাহিনবাগে নাগরিকতা সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে প্রদর্শন চলছে। শাহিনবাগে প্রচুর পরিমাণে মুসলিম মহিলারা শান্তিপূর্ণ প্রদর্শন ক্রছেন। সেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুবরাও গিয়ে প্রদর্শন করছেন।

অনেক কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, আন্দোলনে যুক্ত হওয়া এই যুবদের মধ্যে এবার প্রেমের সঞ্চার হচ্ছে। আর এই প্রেম যখন বিয়ে পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তখন দুই পক্ষের পরিবারের মানুষেরাই তাঁদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। শোনা যাচ্ছে এদের মধ্যে দুই যুগল সাত আর আট ফেব্রুয়ারি বিয়েও করছেন।

প্রদর্শনে এই দুই যুগলের মধ্যে এমন তালমেল হয়ে যায় যে, সেটি বন্ধুত্বতে পরিণত হয়। আর সেই বন্ধুত্বও দেখতে দেখতে প্রেমে পরিণত হয়। যখন এই খবর সামনে আসে, তখন দুই পরিবারের মানুষই এই বিষয়ে রাজি হয়। এবার এদের প্রেম বিয়েতে পরিণত হতে চলেছে।

নির্বাচনের আগে হিন্দু-মুসলিম নিয়ে উস্কানি দেওয়ার জন্য বড় ধাক্কা খেলো কেজরীবাল

নির্বাচন কমিশন দিল্লীর (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল (Arvind Kejriwal) বিরোধীদের আক্রমণ করার জন্য একটি হিন্দু-মুসলিম নিয়ে ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। আর ওই ভিডিও পোস্ট করার পর নির্বাচন কমিশন অরবিন্দ কেজরীবালের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেছে।

নির্বাচন কমিশন দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালকে কাল বিকেল পাঁচটার মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কমিশন কেজরীবালকে নিজের ট্যুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করার জন্য এই নোটিশ জারি করেছে। ওই ভিডিওতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আপানদের জানিয়ে দিই, নির্বাচন কমিশন এবারের নির্বাচনে বেশি করে নজর দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কেও নির্বাচন কমিশন নোটিশ জারি করেছিলেন। যোগী আদিত্যনাথ করাবল নগরের একটি র‍্যালিতে বলেছিলেন যে, কেজরীবাল শাহিনবাগের প্রদর্শনকারীদের বিরিয়ানি খাওয়াচ্ছেন।

এই ভাষণের পর কমিশন যোগীর বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেছে। এর আগে কমিশন কেজরীবালকে মোহল্লা ক্লিনিক নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। নির্বাচন কমিশন বিজেপির প্রার্থী কপিল মিশ্রা, সাংসদ প্রবেশ বর্মা আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল উস্কানি দেওয়ার জন্য।

বাংলার মানুষ ভরসা করে মমতা ব্যানার্জীকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিল, কিন্তু আজ এখানে মহিলারা অসুরক্ষিত: দিলীপ ঘোষ

শাস্ত্রে বলা হয় যেখানে নারীদের সন্মান দেওয়া হয় সেখানে দেবতা বিরাজ করেন। অন্যদিকে যেখানে নারী নির্যাতিত হয় সেখানে শয়তান বিরাজ করে। তবে এখন নারীর সন্মান প্রদানের ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি পিছিয়ে পড়েছে বাংলা। সন্মান প্ৰদান তো দূর নারী নির্যাতনের তালিকায় প্রথম উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের নাম। এই নারী নির্যাতনের ইস্যু নিয়েই সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদরা। আজ সাংসদে গান্ধী মূর্তির সামনে বিজেপি সাংসদরা একত্রিত হয়েপশ্চিমবঙ্গে হওয়া নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। পশ্চিমবঙ্গে কেন মহিলাদের সুরক্ষা নেই তার উপর প্রশ্ন তোলেন বিজেপি সাংসদরা।

গান্ধী মূর্তির সামনে উপস্থিত থাকার সময় বিজেপি সাংসদদের হাতে ছিল প্লে কার্ড এবং মুখে ছিল তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ। ‘নারী নির্যাতনের সরকার আর নেই দরকার’, মহিলার ন্যায় দিন’, ‘পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র বাঁচাও’, ইত্যাদি হাতে থাকা কার্ডের মধ্যে লেখা ছিল। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ মমতা ব্যানার্জী ও তার দ্বারা চালিত সরকারের শাসন ব্যবস্থার উপর মুখর হন।

সৌমিত্র খাঁ হাতে প্লে কার্ড নিয়েছিলেন সেখানে লেখা ছিল, নারী নির্যাতনের সরকার আর নেই দরকার। সৌমিত্র খাঁ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন বিজেপি কার্যকর্তা খুন হচ্ছে তার জবাব দিতে হবে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ” এটা খুবই দুঃখের বিষয়, বাংলার মানুষজন খুবই ভরসা নিয়ে মমতা ব্যানার্জীকে (Mamata Banerjee) মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত করেছিলেন যাতে মহিলারা সুরক্ষিত থাকেন।

কিন্তু আজ বাংলায় (West Bengal) মহিলারা সবথেকে বেশি অসুরক্ষিত।” দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) আরো বলেন, এমন কোনো দিন বাদ যায় না, যেদিন কোনো মহিলাকে শোষিত হতে হয়। ধর্ষণ, অপহরণের মতো ঘটনা বাংলায় ঘটে। গঙ্গারামপুরে কিভাবে এক শিক্ষিকাকে তৃণমূলের গুন্ডারা আক্রমন করেছিল তার উপরেও মুখর হন দিলীপ ঘোষ।

যদি আইন বেঁচে থাকার অনুমতি দেয়, তাহলে ফাঁসি দেওয়া পাপ! নির্ভয়া মামলায় জানাল আদালত!

নির্ভয়া (Nirbhaya) দোষীদের শীঘ্রই ফাঁসিতে ঝোলানোর জন্য তিহার জেল প্রশাসন আরও একবার পাটিয়ালা হাউস কোর্টে পৌঁছায়। এই মামলায় শুনানি করার সময় শুক্রবার আদালত ডেথ ওয়ারেন্ট জারি করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এর আগে আদালতের কার্যবাহি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার আদালত সমস্ত দোষীদের শুক্রবারের মধ্যে জবাব দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল।

এই মামলায় শুনানি করার সময় দোষীদের আইনজীবী দাবি করে যে, যখন দিল্লী হাইকোর্ট দোষীদের সাতদিনের সময় দিয়েছে, তখন ডেথ ওয়ারেন্ট জারি করার জন্য এত তড়িঘড়ি কিসের? আর এই সুপ্রিম কোর্ট যাওয়ারও কি দরকার? এই বিষয়ে আদালত সমস্ত পক্ষের কথা শোনার পর নতুন ডেথ ওয়ারেন্ট জারি করবে না বলে জানিয়ে দেয়।

আরেকিকে, আদালতের এই সিদ্ধান্তে নির্ভয়ার মা আশা দেবী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। উনি বলেন, কোন মামলা পেন্ডিং না থাকার পরেও আদালত আজও ডেথ ওয়ারেন্ট জারি করলো না। আদালতের কাছে ক্ষমতা ছিল, আর আমাদের কাছে সময়।

উনি বলেন, এটা আমদের সাথে অন্যায় হয়েছে। পাশাপাশি উনি বলেন, আমিও দেখব আদালত কতদিন দোষীদের সময় দেয় আর সরকার কতদিন দোষীদের সমর্থন করে।

 

সমীক্ষাঃ ৪৫ এর বেশি আসন নিয়ে দিল্লীতে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি

দিল্লী বিধানসভা নির্বাচন ২০২০ (Delhi Assembly Election 2020) এর জন্য বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই প্রচার অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। আর ঠিক তাঁর আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) দিল্লীতে বিজেপির (BJP) সরকার গঠনের দাবি করেন। উনি ট্যুইট করে লেখেন, নির্বাচনী প্রচারের সময় দিল্লীতে মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি, তোষণ আর অরাজকতা দিয়ে ত্রস্ত দিল্লী এবার শুধু উন্নয়ন চায়। উনি বলেন, মানুষের সমর্থন দেখে এটা পরিস্কার যে ১১ ফেব্রুয়ারি ৪৫ এর বেশি আসন নিয়ে বিজেপি দিল্লীতে সরকার বানাবে।

বিজেপি নেতাদের অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ আর উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের র‍্যালি দিল্লীতে নির্বাচনী আবহাওয়া পালটে দিয়েছে। আরেকদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর র‍্যালির পর দিল্লীর হাওয়া বিজেপির পক্ষেই যেতে দেখা যাচ্ছে। পূর্ব দিল্লীতে সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী র‍্যালি করেন। আর এর ঠিক পরেই দিল্লীর সমস্ত বিধানসভা এলাকাতেই ইন্টার্নাল সমীক্ষা করানো হয়। সমীক্ষার ভিত্তিতে বলা হচ্ছে যে, শাহিনবাগ, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বাটলা হাউস এর মতো ইস্যু গুলোতে নরেন্দ্র মোদী যেভাবে নিজের কথা সবার সামনে রেখেছেন, সেটা মানুষের উপরে ভালো প্রভাব ফেলেছে।

নরেন্দ্র মোদীর র‍্যালির আগে বিজেপি যতগুলো ইন্টার্নাল সমীক্ষা করিয়েছিল, সেখানে বিজেপি টক্কর দিলেও ফলাফল আম আদমি পার্টির দিকেই ঝুঁকছিল। কিন্তু প্রথমে যদি আর পরে প্রধানমন্ত্রীর র‍্যালির পর শেয়ানে শেয়ানে টক্কর দেখা দিয়েছে। এবার ফলাফল বিজেপির পক্ষে দেখা যাচ্ছে।

সবথেকে বড় ব্যাপার হল, এই সমীক্ষায় অনেক আসনেই কংগ্রেসকে জিততে দেখা যাচ্ছে। পার্টির সুত্র অনুযায়ী, সোমবার করা ইন্টার্নাল সমীক্ষায় বিজেপির ঝুলিতে ২৭ টি আসন আসছে দেখা যাচ্ছে। আরেকদিকে আম আদমি পার্টির ঝুলিতে ২৬ এবং কংগ্রেসের ঝুলিতে আট থেকে নয়টি আসন। বাকি আসন গুলোতে বেশ জোরালো লড়াই হতে চলেছে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started